মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০৭:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬

কুয়াকাটায় জেলের জালে ৫৪ কেজির দানবীয় ‘তবলা’ মাছ, দাম উঠল ৩৬ হাজার টাকা

পটুয়াখালীর কুয়াকাটাসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে এক জেলের জালে ধরা পড়েছে ৫৪ কেজি ওজনের বিশাল আকৃতির একটি ‘তবলা’ মাছ। মঙ্গলবার সকালে মাছটি পটুয়াখালীর মহিপুর মৎস্যবন্দরে বিক্রির জন্য আনা হলে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি হয়। পরে প্রকাশ্য নিলামের মাধ্যমে স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী রুবেল ঘরামী ৩৬ হাজার টাকায় মাছটি কিনে নেন।

মৎস্যজীবীরা জানান, ‘এফবি সালমা করিম’ নামের একটি ট্রলার নিয়ে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে গেলে এই দানবীয় মাছটি জালে আটকা পড়ে। সামুদ্রিক এই মাছটি মূলত ‘জায়ান্ট ট্রেভ্যালি’ প্রজাতির। কুয়াকাটা ও মহিপুর অঞ্চলে এটি তবলা, বোগা বা খন্দোয়া মাছ নামে পরিচিত। এই প্রজাতির মাছ সাধারণত দৈর্ঘ্যে এক মিটারের বেশি এবং ওজনে প্রায় ৮০ কেজি পর্যন্ত হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের বড় মাছের উপস্থিতি সামুদ্রিক পরিবেশের সুস্থতার ইতিবাচক সূচক। পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ বায়োলজি অ্যান্ড জেনেটিকস বিভাগের চেয়ারম্যান রাজিব সরকার জানান, জায়ান্ট ট্রেভ্যালি একটি দ্রুত বর্ধনশীল এবং আন্তর্জাতিকভাবে অত্যন্ত মূল্যবান মাছ। সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এবং টেকসই মৎস্য ব্যবস্থাপনায় এ ধরনের বড় প্রজাতির সঠিক শনাক্তকরণ ও তথ্য সংরক্ষণ করা জরুরি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বেরোবিতে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ: ক্যাম্পাসে থমথমে অবস্থা, বহিরাগত প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

কুয়াকাটায় জেলের জালে ৫৪ কেজির দানবীয় ‘তবলা’ মাছ, দাম উঠল ৩৬ হাজার টাকা

আপডেট সময় : ০৪:৪২:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

পটুয়াখালীর কুয়াকাটাসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে এক জেলের জালে ধরা পড়েছে ৫৪ কেজি ওজনের বিশাল আকৃতির একটি ‘তবলা’ মাছ। মঙ্গলবার সকালে মাছটি পটুয়াখালীর মহিপুর মৎস্যবন্দরে বিক্রির জন্য আনা হলে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি হয়। পরে প্রকাশ্য নিলামের মাধ্যমে স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী রুবেল ঘরামী ৩৬ হাজার টাকায় মাছটি কিনে নেন।

মৎস্যজীবীরা জানান, ‘এফবি সালমা করিম’ নামের একটি ট্রলার নিয়ে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে গেলে এই দানবীয় মাছটি জালে আটকা পড়ে। সামুদ্রিক এই মাছটি মূলত ‘জায়ান্ট ট্রেভ্যালি’ প্রজাতির। কুয়াকাটা ও মহিপুর অঞ্চলে এটি তবলা, বোগা বা খন্দোয়া মাছ নামে পরিচিত। এই প্রজাতির মাছ সাধারণত দৈর্ঘ্যে এক মিটারের বেশি এবং ওজনে প্রায় ৮০ কেজি পর্যন্ত হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের বড় মাছের উপস্থিতি সামুদ্রিক পরিবেশের সুস্থতার ইতিবাচক সূচক। পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ বায়োলজি অ্যান্ড জেনেটিকস বিভাগের চেয়ারম্যান রাজিব সরকার জানান, জায়ান্ট ট্রেভ্যালি একটি দ্রুত বর্ধনশীল এবং আন্তর্জাতিকভাবে অত্যন্ত মূল্যবান মাছ। সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এবং টেকসই মৎস্য ব্যবস্থাপনায় এ ধরনের বড় প্রজাতির সঠিক শনাক্তকরণ ও তথ্য সংরক্ষণ করা জরুরি।