লালমনিরহাটের পাটগ্রামে একটি সালিশ বৈঠককে কেন্দ্র করে ফিরোজ হোসেন (২১) নামের এক যুবকের রহস্যজনক মৃত্যুকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ও ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে প্রথমে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ তোলা হলেও পরবর্তীতে থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা করায় ঘটনার মোড় ঘুরে গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার (১ আগস্ট ২০২৬) একটি সালিশ বৈঠকে ফিরোজকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। সেই জরিমানা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে সেখানে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। স্বজনদের দাবি, ওই ঘটনার পর রাতে একদল ব্যক্তি পুনরায় তাদের বাড়িতে হামলা চালায় এবং ফিরোজকে গুরুতর আহত করে। মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সোমবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
ফিরোজের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ঢাকা-বুড়িমারী মহাসড়ক অবরোধ করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। তবে ঘটনার নাটকীয় পরিবর্তন ঘটে যখন নিহতের বড় ভাই থানায় লিখিত অভিযোগে দাবি করেন যে, সালিশে মারধরের অপমানে ফিরোজ কীটনাশক পান করে আত্মহত্যা করেছেন। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিবারের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে। তবে একই ঘটনায় পরিবারের দুই ধরনের বক্তব্যে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 
























