মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০৮:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬

শতভাগ তামাকমুক্ত হচ্ছে পাট অধিদপ্তরের সব কার্যালয়

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বাঁচাতে পাট অধিদপ্তরের সব কার্যালয়কে শতভাগ তামাকমুক্ত ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন (সংশোধন) ২০২৬-এর আলোকে এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সৈয়দ মো. নূরুল বাসির।

মঙ্গলবার এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রতিটি অফিসে দৃশ্যমান স্থানে ‘ধূমপানমুক্ত এলাকা’ সাইনেজ স্থাপন করা হবে। ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রতিবছর তামাকজনিত রোগে প্রায় দুই লাখ মানুষ প্রাণ হারান। এছাড়া পরোক্ষ ধূমপানের কারণে কয়েক কোটি অধূমপায়ী মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তামাক উৎপাদন ও ব্যবহারের ফলে প্রতিবছর রাষ্ট্রের যে বিপুল পরিমাণ আর্থিক ও পরিবেশগত ক্ষতি হয়, তা তামাক থেকে অর্জিত রাজস্বের তুলনায় অনেক বেশি। বর্তমান সরকারের লক্ষ্য একটি তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা। সেই লক্ষ্য পূরণে সরকারি দপ্তরগুলোকে শতভাগ ধূমপানমুক্ত রাখা একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মির্জাপুরে সড়ক নির্মাণে অনিয়ম: জনরোষের মুখে নিম্নমানের সামগ্রী সরিয়ে নিল ঠিকাদার

শতভাগ তামাকমুক্ত হচ্ছে পাট অধিদপ্তরের সব কার্যালয়

আপডেট সময় : ০৬:৫৮:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বাঁচাতে পাট অধিদপ্তরের সব কার্যালয়কে শতভাগ তামাকমুক্ত ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন (সংশোধন) ২০২৬-এর আলোকে এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সৈয়দ মো. নূরুল বাসির।

মঙ্গলবার এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রতিটি অফিসে দৃশ্যমান স্থানে ‘ধূমপানমুক্ত এলাকা’ সাইনেজ স্থাপন করা হবে। ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রতিবছর তামাকজনিত রোগে প্রায় দুই লাখ মানুষ প্রাণ হারান। এছাড়া পরোক্ষ ধূমপানের কারণে কয়েক কোটি অধূমপায়ী মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তামাক উৎপাদন ও ব্যবহারের ফলে প্রতিবছর রাষ্ট্রের যে বিপুল পরিমাণ আর্থিক ও পরিবেশগত ক্ষতি হয়, তা তামাক থেকে অর্জিত রাজস্বের তুলনায় অনেক বেশি। বর্তমান সরকারের লক্ষ্য একটি তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা। সেই লক্ষ্য পূরণে সরকারি দপ্তরগুলোকে শতভাগ ধূমপানমুক্ত রাখা একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।