ছুটি কাটাতে নিজ শহরে ফিরেছিলেন ২১ বছর বয়সী উদীয়মান ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার ফিলিপে দিয়োগো। কিন্তু সেই ফেরা আর আনন্দের হলো না; সশস্ত্র হামলাকারীর গুলিতে মর্মান্তিকভাবে প্রাণ হারিয়েছেন তিনি। এর মধ্য দিয়ে সম্ভাবনাময় এক ফুটবলযাত্রার করুণ পরিসমাপ্তি ঘটল।
ব্রাজিলের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, গত মঙ্গলবার (স্থানীয় সময়) সাও পাওলো অঙ্গরাজ্যের রিবেইরাও প্রেতো শহরে বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত হন দিয়োগো। ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের তৃতীয় স্তরের লিগ সেরি সি–এর ক্লাব সাও বের্নার্দো এফসির এই ফরোয়ার্ডের শরীরে অন্তত ১০টি গুলি লাগে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে দ্রুত সিমিওনি ইমার্জেন্সি কেয়ার ইউনিটে নেওয়া হলেও কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কী কারণে এই হামলা হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহের পাশাপাশি হামলার পেছনের কারণ ও জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
‘ফাভেলা’ নামে পরিচিত দিয়োগো ব্রাজিলের দুই ঐতিহ্যবাহী ক্লাব ক্রুজেইরো ও বোতাফোগোর একাডেমিতে বেড়ে ওঠেন। পরবর্তীতে সাও বের্নার্দোতে যোগ দিয়ে নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখেন। গত মৌসুমে ক্লাবটির প্রমোশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। সাও বের্নার্দোর হয়ে সব মিলিয়ে ১৮ ম্যাচে চারটি গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। চলতি মৌসুমেও পাঁচটি ম্যাচে মাঠে নেমেছিলেন।
দিয়োগোর মৃত্যুর খবরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে ব্রাজিলিয়ান ফুটবলে। এক বিবৃতিতে সাও বের্নার্দো জানিয়েছে, ‘আমাদের খেলোয়াড় ফিলিপে দিয়োগো বের্নার্দেস ফেরেইরার অকাল প্রয়াণে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। এই কঠিন সময়ে তার পরিবারের প্রতি আমাদের আন্তরিক সমবেদনা রইল।’ তার শৈশবের ক্লাব ভিলা ভার্জিনিয়াও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন বার্তা দিয়ে জানায়, দিয়োগোর মৃত্যু এমন এক শূন্যতার সৃষ্টি করেছে, যা তার পরিবার, বন্ধু, সতীর্থ ও অসংখ্য সমর্থকের হৃদয়ে দীর্ঘদিন বয়ে বেড়াতে হবে।
রিপোর্টারের নাম 
























