আগামী বছর (২০২৭ সাল) থেকেই ঠাকুরগাঁও মেডিকেল কলেজে শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি আরও জানান, এ লক্ষ্যে খুব দ্রুতই প্রস্তাবিত এই মেডিকেল কলেজ স্থাপনের মূল কাজ শুরু হতে যাচ্ছে।
রোববার সকালে ঠাকুরগাঁও ডায়াবেটিক ও স্বাস্থ্যসেবা হাসপাতালে নেপাল সরকারের সহায়তায় আয়োজিত আই ক্যাম্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘দেশের প্রতিটি অঞ্চলের সাধারণ ও প্রান্তিক মানুষদের দোরগোড়ায় আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। ঠাকুরগাঁও মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হলে স্থানীয় পর্যায়ে দক্ষ চিকিৎসক তৈরির পথ সুগম হবে এবং স্বাস্থ্য খাতে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। একই সঙ্গে এ অঞ্চলের মানুষের চিকিৎসাসেবা পাওয়ার সুযোগ আরও বৃদ্ধি পাবে।’
উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি রোগীদের ঢাকার প্রতি নির্ভরতা কমাতেও এই মেডিকেল কলেজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আরও বলেন, এলাকার স্বাস্থ্যসেবার মান বৃদ্ধিতে ইতোমধ্যেই ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালকে ৬০০ শয্যায় উন্নীত করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমরা স্বাস্থ্যসেবার মান বাড়ানোর পাশাপাশি কীভাবে তা মানুষের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দেওয়া যায় সেই চেষ্টায় আছি।’
স্বাস্থ্যসেবাকে সহজলভ্য করতে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার নেপাল সরকারের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে চক্ষু পরীক্ষা ও চিকিৎসায় ‘আই ক্যাম্প’ এর আয়োজন করেছে, যা এলাকার চক্ষু রোগীদের উন্নত সেবা প্রদানে ভূমিকা রাখবে। পর্যায়ক্রমে জেলার প্রতিটি উপজেলায় কীভাবে এ ধরনের আই ক্যাম্পের পরিধি বাড়ানো যায়, সে বিষয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এম্বাসি অব নেপাল বাংলাদেশের ডেপুটি চিফ অব মিশন প্রতীক কার্কি, পদ্ম নারায়ন চৌধুরী, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিনসহ আরও অনেকে।
রিপোর্টারের নাম 



















