মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০৯:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬

‘তরুণরাই দেশের ভবিষ্যৎ’: উদ্ভাবক ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তাদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমানের

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, তরুণ উদ্ভাবকরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। তাদের গবেষণা, প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও স্টার্টআপ উদ্যোগে বর্তমান নির্বাচিত বিএনপি সরকার সবসময় পাশে থাকবে।

রোববার (২ আগস্ট) বিকেলে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ‘মেট রোভ ইন্টারন্যাশনাল আন্ডারওয়াটার রোবট কম্পিটিশন ২০২৬’-এর চ্যাম্পিয়ন দলের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী এই মন্তব্য করেন। তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের জন্য গৌরব বয়ে আনায় দলটির সদস্যদের আন্তরিক অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে তাদের ভবিষ্যৎ গবেষণা, প্রযুক্তি উন্নয়ন ও উদ্ভাবনী উদ্যোগে সরকারের সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা সুজন মাহমুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, তৈরি পোশাক শিল্প দেশের প্রধান রপ্তানি খাত হলেও এর পাশাপাশি সেমিকন্ডাক্টর, ফার্মাসিউটিক্যালস, ফার্নিচার ও কসমেটিকসের মতো সম্ভাবনাময় নতুন রপ্তানি খাত গড়ে তুলে দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। এসব খাতে তরুণ উদ্ভাবকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বৈঠকে এমআইএসটির শিক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হওয়া তাদের উদ্ভাবিত আন্ডারওয়াটার রোবটটি প্রধানমন্ত্রীর সামনে প্রদর্শন করেন। প্রধানমন্ত্রী রোবটটির নকশা, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও ব্যবহারিক দিক সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা করেন।

তিনি উল্লেখ করেন, এই ধরনের উদ্ভাবন দেশের প্রযুক্তিগত সক্ষমতাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। প্রধানমন্ত্রী রোবটটির আরও প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, বাণিজ্যিকীকরণ এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ভবিষ্যৎ অংশগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় সরকারি সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেন। তরুণদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বাংলাদেশকে আরও এগিয়ে নিতে হলে উদ্ভাবক, গবেষক ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এমআইএসটির উদ্ভাবক শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কেও জানতে চান। জবাবে তারা জানান, পড়াশোনা শেষে প্রযুক্তি খাতেই কাজ করতে এবং নিজেদের উদ্যোগে নতুন প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে আগ্রহী। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা যদি প্রযুক্তিনির্ভর স্টার্টআপ গড়ে তুলতে চান, তাহলে সরকারের স্টার্টআপ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চুল পড়া রোধে পেঁয়াজ, মেথি বা কালো জিরার তেলের কার্যকারিতা: বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ

‘তরুণরাই দেশের ভবিষ্যৎ’: উদ্ভাবক ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তাদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমানের

আপডেট সময় : ০৭:২৯:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, তরুণ উদ্ভাবকরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। তাদের গবেষণা, প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও স্টার্টআপ উদ্যোগে বর্তমান নির্বাচিত বিএনপি সরকার সবসময় পাশে থাকবে।

রোববার (২ আগস্ট) বিকেলে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ‘মেট রোভ ইন্টারন্যাশনাল আন্ডারওয়াটার রোবট কম্পিটিশন ২০২৬’-এর চ্যাম্পিয়ন দলের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী এই মন্তব্য করেন। তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের জন্য গৌরব বয়ে আনায় দলটির সদস্যদের আন্তরিক অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে তাদের ভবিষ্যৎ গবেষণা, প্রযুক্তি উন্নয়ন ও উদ্ভাবনী উদ্যোগে সরকারের সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা সুজন মাহমুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, তৈরি পোশাক শিল্প দেশের প্রধান রপ্তানি খাত হলেও এর পাশাপাশি সেমিকন্ডাক্টর, ফার্মাসিউটিক্যালস, ফার্নিচার ও কসমেটিকসের মতো সম্ভাবনাময় নতুন রপ্তানি খাত গড়ে তুলে দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। এসব খাতে তরুণ উদ্ভাবকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বৈঠকে এমআইএসটির শিক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হওয়া তাদের উদ্ভাবিত আন্ডারওয়াটার রোবটটি প্রধানমন্ত্রীর সামনে প্রদর্শন করেন। প্রধানমন্ত্রী রোবটটির নকশা, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও ব্যবহারিক দিক সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা করেন।

তিনি উল্লেখ করেন, এই ধরনের উদ্ভাবন দেশের প্রযুক্তিগত সক্ষমতাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। প্রধানমন্ত্রী রোবটটির আরও প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, বাণিজ্যিকীকরণ এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ভবিষ্যৎ অংশগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় সরকারি সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেন। তরুণদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বাংলাদেশকে আরও এগিয়ে নিতে হলে উদ্ভাবক, গবেষক ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এমআইএসটির উদ্ভাবক শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কেও জানতে চান। জবাবে তারা জানান, পড়াশোনা শেষে প্রযুক্তি খাতেই কাজ করতে এবং নিজেদের উদ্যোগে নতুন প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে আগ্রহী। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা যদি প্রযুক্তিনির্ভর স্টার্টআপ গড়ে তুলতে চান, তাহলে সরকারের স্টার্টআপ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।