রাষ্ট্রপতি পদ ছেড়ে দেওয়ার পর সাহাবুদ্দিন চুপ্পু ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার জালিয়াতি মামলায় ফেঁসে যেতে পারেন। রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পূর্বের অপরাধের জন্য তাকে বিচারের আওতায় আনা হচ্ছে এবং এই মামলায় তার বিরুদ্ধে দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞা জারি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
জানা গেছে, এই মামলায় অন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে আদালত দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। তবে, সাহাবুদ্দিন চুপ্পু তখন রাষ্ট্রপতি পদে আসীন থাকায় তার নাম সরাসরি আদেশে উল্লেখ করা হয়নি। ইসলামী ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এখন তিনি এই নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত হবেন।
রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে সাহাবুদ্দিন চুপ্পু জেএমসি বিল্ডার্সের প্রতিনিধি হিসেবে ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে যুক্ত হন এবং পরে পরিচালক ও ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। নতুন পর্ষদ গঠিত হওয়ার পর এই শেয়ার জালিয়াতির বিষয়টি আদালতের নজরে আসে। হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ গত বছরের মার্চ মাসে এ সংক্রান্ত তিনটি নির্দেশনা ও রুল জারি করে। নির্দেশনায় বলা হয়, বোর্ড ভেঙে দেওয়ার পূর্বের বোর্ড পরিচালকরা ঋণ জালিয়াতিতে জড়িত থাকায় আদালতের অনুমতি ছাড়া বিদেশ যেতে পারবেন না, তাদের ব্যাংক হিসাব জব্দ থাকবে এবং জেএমসি বিল্ডার্সের কোনো শেয়ার হস্তান্তর করা যাবে না।
বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) একটি প্রতিবেদন দাখিল করে, যেখানে জেএমসি বিল্ডার্সের মাধ্যমে ব্যাংকের শেয়ার নিয়ন্ত্রণ এবং এস আলম গ্রুপের স্বার্থ রক্ষায় চুপ্পুর ভূমিকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, শেয়ার জালিয়াতির সময়কালে পরিচালকদের মধ্যে সাহাবুদ্দিন চুপ্পু অন্যতম ছিলেন, তাই তার ওপরও দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হওয়ার কথা। তবে, তৎকালীন রাষ্ট্রপতির পদমর্যাদার কারণে তার নাম সরাসরি আদেশে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
রিপোর্টারের নাম 

























