ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীমকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলেও তার সঙ্গে আসা দলীয় নেতাকর্মীদের প্রবেশে বাধা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শনিবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে প্রশাসন, নিরাপত্তাকর্মী ও নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা, বাকবিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। পরে প্রবেশে বাধাপ্রাপ্ত নেতাকর্মীরা প্রধান ফটকের সামনেই জামাতে আসরের নামাজ আদায় করেন।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, জুলাই শহীদদের স্মরণে আয়োজিত দোয়া ও ইসলাহি ইজতেমায় অংশ নিতে মুফতি ফয়জুল করীম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে পৌঁছান। তাকে ভেতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। তবে আগে থেকেই বহিরাগতদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকায় তার সঙ্গে আসা দলীয় নেতাকর্মীদের ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।
এ সময় নেতাকর্মীরা একসঙ্গে ক্যাম্পাসে প্রবেশের চেষ্টা করলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও নিরাপত্তাকর্মীরা তাদের বাধা দেন। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তির সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে কয়েকজন নেতাকর্মী ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে সক্ষম হলেও অধিকাংশই প্রধান ফটকের বাইরে অবস্থান করেন। এতে কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। অবশেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে প্রবেশের সুযোগ না পেয়ে বাধাপ্রাপ্ত ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীরা প্রধান ফটকের সামনেই জামাতে আসরের নামাজ আদায় করেন।
অন্যদিকে, মুফতি ফয়জুল করীম বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে আসরের নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষে তিনি জুলাই শহীদদের স্মরণে আয়োজিত দোয়া ও ইসলাহি ইজতেমায় অংশ নেন। পরে তিনি ‘বিজয়-২৪’ হলে স্থাপিত একটি ফার্স্ট এইড বক্সের উদ্বোধন করেন।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আব্দুল হাকিম জানান, বিশৃঙ্খলার আশঙ্কায় বহিরাগতদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। শুধুমাত্র মুফতি ফয়জুল করীমকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। যারা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে কোনোভাবেই সংশ্লিষ্ট নন, তারাই বহিরাগত হিসেবে বিবেচিত হয়েছেন।
রিপোর্টারের নাম 

























