ঢাকা ১০:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

ঐতিহাসিক জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনায় সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান ঢাবি উপাচার্যের

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেছেন, ঐতিহাসিক জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। মহান মুক্তিযুদ্ধ, জুলাইয়ের চেতনা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ধারণ করে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে নেতৃত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

শনিবার জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল মিলনায়তনে আয়োজিত ‘স্মৃতিতে জুলাই সংগ্রাম, স্বপ্ন ও প্রত্যয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আলেয়া বেগম। উপাচার্য বলেন, বিগত ১৭ বছরের দুঃশাসনে দেশের মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছিল। সেই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০ সালের গণ-অভ্যুত্থান এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানসহ দেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নেতৃত্ব দিয়েছে। তিনি বলেন, ভবিষ্যতেও একটি গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব দিতে হবে।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল ও অনুষদে নানা কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলে দিনব্যাপী আয়োজনের মধ্যে ছিল ‘শহীদদের কাছে খোলা চিঠি’ লিখন প্রতিযোগিতা, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, কুইজ, আলোচনা সভা, স্মৃতিচারণ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী। অনুষ্ঠানে প্রক্টর মো. ইসরাফিল প্রাং, সহকারী প্রক্টর ড. মো. রবিউল ইসলামসহ হলের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলে মোমবাতি প্রজ্বলন ও দেশাত্মবোধক সংগীত পরিবেশনের আয়োজন করা হয়। আয়োজকরা জানান, ২০২৪ সালের ১৭ জুলাই একই হলে শিক্ষার্থীরা মোমবাতি প্রজ্বলনের মাধ্যমে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছিলেন। এদিকে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ হলের উদ্যোগে ‘জুলাই প্রতিরোধ প্রাঙ্গণ’-এ পুষ্পস্তবক অর্পণ, স্মারক ফটোফ্রেম উন্মোচন, আলোচনা সভা, স্মৃতিচারণ ও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ ফুটবল: বালক বিভাগে সিলেট-ময়মনসিংহ, বালিকা বিভাগে রাজশাহী-রংপুর ফাইনালে

ঐতিহাসিক জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনায় সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান ঢাবি উপাচার্যের

আপডেট সময় : ০৮:৩০:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেছেন, ঐতিহাসিক জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। মহান মুক্তিযুদ্ধ, জুলাইয়ের চেতনা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ধারণ করে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে নেতৃত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

শনিবার জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল মিলনায়তনে আয়োজিত ‘স্মৃতিতে জুলাই সংগ্রাম, স্বপ্ন ও প্রত্যয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আলেয়া বেগম। উপাচার্য বলেন, বিগত ১৭ বছরের দুঃশাসনে দেশের মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছিল। সেই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০ সালের গণ-অভ্যুত্থান এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানসহ দেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নেতৃত্ব দিয়েছে। তিনি বলেন, ভবিষ্যতেও একটি গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব দিতে হবে।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল ও অনুষদে নানা কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলে দিনব্যাপী আয়োজনের মধ্যে ছিল ‘শহীদদের কাছে খোলা চিঠি’ লিখন প্রতিযোগিতা, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, কুইজ, আলোচনা সভা, স্মৃতিচারণ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী। অনুষ্ঠানে প্রক্টর মো. ইসরাফিল প্রাং, সহকারী প্রক্টর ড. মো. রবিউল ইসলামসহ হলের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলে মোমবাতি প্রজ্বলন ও দেশাত্মবোধক সংগীত পরিবেশনের আয়োজন করা হয়। আয়োজকরা জানান, ২০২৪ সালের ১৭ জুলাই একই হলে শিক্ষার্থীরা মোমবাতি প্রজ্বলনের মাধ্যমে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছিলেন। এদিকে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ হলের উদ্যোগে ‘জুলাই প্রতিরোধ প্রাঙ্গণ’-এ পুষ্পস্তবক অর্পণ, স্মারক ফটোফ্রেম উন্মোচন, আলোচনা সভা, স্মৃতিচারণ ও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়।