লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ (এলপিএল) এবং ইংল্যান্ডের কাউন্টি ক্রিকেটের সাম্প্রতিক সাফল্যকে কাজে লাগিয়ে আসন্ন অস্ট্রেলিয়া সিরিজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে মুখিয়ে আছেন বাংলাদেশের ডানহাতি পেসার হাসান মাহমুদ। লাল ও সাদা দুই বলেই দারুণ পারফর্ম করা এই তরুণ তুর্কি ডারউইনের পরিচিত পরিবেশ ও উইকেটের সুবিধা নিয়ে দলকে জয় উপহার দিতে প্রস্তুত।
গতকাল গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি নিজের অভিজ্ঞতা এবং আসন্ন সিরিজ নিয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা শেয়ার করেন। অস্ট্রেলিয়ার ডারউইনের কন্ডিশন নিয়ে ইতিবাচক বার্তা দিয়ে হাসান জানান, ‘কন্ডিশন খুব কাছাকাছি। ডারউইনের আবহাওয়া বাংলাদেশের মতো অনেকটা, একটু গরম আছে।’
জাতীয় দলের প্রয়োজনকে ব্যক্তিগত বা ফ্র্যাঞ্চাইজি স্বার্থের ঊর্ধ্বে রাখার কথা উল্লেখ করে হাসান বলেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ টিম। আগে নিজের দেশ তারপর অন্য খেলা। অবশ্যই আমাকে যেতে হবে। সামনে কয়েকজন ফাস্ট বোলার ইনজুরিতে আছে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচ খেলার এটি একটি বড় সুযোগ। আমরা খুবই পজিটিভ এবং ভালো খেলার ব্যাপারে আশাবাদী। আমরা আমাদের সেরাটা দেব এবং একটি ভালো জায়গা করে নেব।’
উইকেট থেকে বোলাররা ভালো সুবিধা পাবেন উল্লেখ করে তিনি আরও যোগ করেন, ‘পিচ থেকে সহায়তা পাব। পেস বোলার হিসেবে মুভমেন্ট, বাউন্স পাব। পেস বোলারদের জন্য অনেক কিছু আছে যদি আমরা আমাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোতে পারি এবং ভালো শুরু করি।’
সম্প্রতি ইংল্যান্ডের কাউন্টিতে দুই সংস্করণেই খেলে এসেছেন এই পেসার। দুর্দান্ত পারফর্ম করায় পরবর্তী মৌসুমেও তার সঙ্গে চুক্তির আগ্রহ প্রকাশ করেছে কাউন্টি দলগুলো। এ বিষয়ে হাসান বলেন, ‘যখন একটা দলের হয়ে ভালো করবেন এবং পরের বছরও আপনাকে চাইবে, একজন স্পোর্টসম্যান হিসেবে এটা অনেক ভালো অনুভূতি। তাদের সংস্কৃতি, ক্রিকেট—সবই আমাকে ভালো অভিজ্ঞতা এনে দিয়েছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এটা ভালো কাজে দেবে।’
প্রায় এক দশক পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে তাদের মুখোমুখি হওয়াকে ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় মাইলফলক হিসেবে দেখছেন হাসান মাহমুদ। সফর নিয়ে নিজের ব্যক্তিগত লক্ষ্যের কথা জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার পরিকল্পনার কথা বললে, আমি চাইব নিজের সেরাটা দিয়ে খেলতে। কাউন্টিতে যেভাবে শুরু করেছি, সেই ধারাবাহিকতা রেখে বল করি, দলের জন্য উইকেট নিই এবং অবদান রাখি।’
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ভালো করার স্বপ্ন প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘১০-১১ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে টেস্ট, এবার আবার ওদের মাটিতে। আমার জন্য এটি একটি বড় সুযোগ।’
রিপোর্টারের নাম 



















