বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে জুলাই মাস এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়। সেই উত্তাল দিনগুলোতে সংবাদ সংগ্রহের কাজে নিয়োজিত ছিলেন এমন অনেক সাংবাদিক তাঁদের অভিজ্ঞতা স্মরণ করেছেন। তাঁদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব ও আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা এএফপির তৎকালীন ব্যুরো চিফ শফিকুল আলম। তিনি তাঁর এক সাক্ষাৎকারে সেই সময়ের চ্যালেঞ্জ, ভীতিকর অভিজ্ঞতা এবং ঐতিহাসিক কিছু সংবাদ ব্রেকিংয়ের পেছনের গল্প তুলে ধরেছেন।
শফিকুল আলম জানান, ৫ আগস্টের বিজয়ের খবর জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পরিবেশন করার স্মৃতি তাঁর আজও মনে আছে। তিনি আরও বলেন, ‘হাসিনার পালানোর খবর’ ব্রেকিংয়ের মতো ঘটনাগুলো সে সময় কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তিনি স্মরণ করেন, তৎকালীন তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত তাঁকে হুমকিও দিয়েছিলেন। এই সাক্ষাৎকারে তাঁর সঙ্গে ছিলেন ‘আমার দেশ’ পত্রিকার যুগ্ম সম্পাদক এম আবদুল্লাহ।
ফ্যাসিবাদী শাসনের অধীনে ২৭টি মামলা মাথায় নিয়েও কীভাবে জুলাই মাসে মাঠে সক্রিয় ছিলেন এবং খবরের সন্ধানে ছুটেছেন, সে বিষয়েও শফিকুল আলম আলোকপাত করেন। তিনি বলেন, ৫ জুন হাইকোর্টের রায়ের পর থেকেই আন্দোলন নতুন করে দানা বাঁধার আভাস পাওয়া যাচ্ছিল। শুরুতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যকেন্দ্রিক ছোট ছোট প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছিল। তিনি ২০১৮ সালের কোটা আন্দোলনের নেতাদের দ্বিধাগ্রস্ত অবস্থার কথাও উল্লেখ করেন।
শফিকুল আলম এএফপির ব্যুরো চিফ হিসেবে আন্দোলনকে কাছ থেকে দেখেছেন। তিনি বলেন, আন্দোলন দানা বাঁধতে শুরু করে জুলাইয়ের প্রথম দিকে, যখন ‘বাংলা ব্লকেড’ ঘোষণা করা হয়। রাজু ভাস্কর্য থেকে মিছিল নিয়ে শাহবাগ দখলের পর থেকেই তারা এই খবর কাভার করতে শুরু করেন।
রিপোর্টারের নাম 
























