তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, সাংবাদিকতা পেশার মর্যাদা রক্ষায় কে সাংবাদিক আর কে সাংবাদিক নন, তা নির্ধারণ করার জন্য একটি যথাযথ কর্তৃপক্ষ থাকা অত্যন্ত জরুরি। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কমিটির ৩৪তম এবং নবগঠিত কমিটির প্রথম সভায় দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কমিটির সদস্যদের প্রতিটি সিদ্ধান্তে সংবিধান, প্রচলিত আইন ও বিধি-বিধানের যথাযথ প্রতিফলন নিশ্চিত করার পরামর্শ দেন। একইসঙ্গে তিনি সিদ্ধান্ত গ্রহণে দূরদর্শিতা, প্রজ্ঞা এবং সর্বোচ্চসংখ্যক মানুষকে ধারণ করার মানসিকতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি সিদ্ধান্তগুলো যাতে সর্বজনগ্রাহ্য হয় সে বিষয়টিও স্মরণ করিয়ে দেন তথ্যমন্ত্রী।
মন্ত্রী আরও বলেন, রাজনৈতিক দল হিসেবে নয়, বরং জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের দায়িত্বশীল প্রতিনিধি হিসেবে সকল নাগরিকের প্রতি সমান দায়বদ্ধতা নিয়ে কাজ করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, গণমাধ্যম একটি বহুপাক্ষিক ক্ষেত্র। এখানে বিভিন্ন মত, দৃষ্টিভঙ্গি ও চিন্তার মানুষের সহাবস্থানের কোনো বিকল্প নেই। তাই কোনো সংকীর্ণ বা পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্ত নয়, বরং অন্তর্ভুক্তিমূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে সর্বোচ্চসংখ্যক মানুষকে ধারণ করার নীতি অনুসরণ করতে হবে।
জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় রাষ্ট্রের অন্যতম রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল মন্ত্রণালয়। এখানে সামান্য ভুল সিদ্ধান্তও ভবিষ্যতে বড়ো রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই তাৎক্ষণিক বিষয়ের বাইরে গিয়ে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কমিটির সদস্যদের প্রজ্ঞা, অভিজ্ঞতা ও দূরদর্শিতার ওপরই সিদ্ধান্তের গ্রহণযোগ্যতা নির্ভর করবে।
প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদের সভাপতিত্বে সভায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. শাহ আলম, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কমিটির সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 

























