ঢাকা ০২:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

জলাবদ্ধতা নিরসনে এলাকাবাসীর অর্থায়নে ড্রেন নির্মাণ: প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই কাজ

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার নয়নপুর এলাকার বাসিন্দারা দীর্ঘ প্রায় দুই যুগের জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে সরকারি বরাদ্দ বা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের উদ্যোগের অপেক্ষায় না থেকে নিজস্ব অর্থায়নে ড্রেন নির্মাণ করছেন। প্রায় ৪০টি পরিবারের যৌথ অর্থায়নে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা দীর্ঘদিনের জনদুর্ভোগ লাঘবে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে স্থানীয়রা আশা করছেন। তবে প্রশাসন জানিয়েছে, অনুমতি ছাড়াই সড়ক কেটে ড্রেন নির্মাণ করা হয়েছে।

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, মাওনা-ধনুয়া আঞ্চলিক সড়কের ওই অংশে বছরের পর বছর বৃষ্টির পানি জমে থাকায় এলাকাটি জলাবদ্ধতার স্থায়ী কেন্দ্রে পরিণত হয়েছিল। এর ফলে আশপাশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, পোশাক কারখানার হাজারো শ্রমিক, ব্যবসায়ী, পথচারী ও যানবাহনের চালকদের প্রতিদিন দুর্ভোগ পোহাতে হতো। স্থানীয় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা জানায়, বছরের চার থেকে পাঁচ মাস সড়কের নিচু অংশ পানির নিচে থাকত এবং অনেক সময় রিকশা বা সাইকেলও চলতে পারত না। কাদা পানিতে পড়ে স্কুল-কলেজে যেতে না পারার ঘটনাও ঘটেছে।

মুদি ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেন বলেন, নির্মাণকাজ চলাকালে সাময়িক ভোগান্তি হলেও কাজ শেষ হলে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি মিলবে। তিনি জনপ্রতিনিধি বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদ্যোগের অভাবের কথা উল্লেখ করেন। স্থানীয় বিএনপি নেতা ও মাওনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আরিফুল ইসলাম সরকার এই উদ্যোগকে জনস্বার্থে অত্যন্ত প্রশংসনীয় বলে অভিহিত করেছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাতে চরম বৈষম্য: ১৮ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য মাত্র একজন চিকিৎসক

জলাবদ্ধতা নিরসনে এলাকাবাসীর অর্থায়নে ড্রেন নির্মাণ: প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই কাজ

আপডেট সময় : ১০:১১:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার নয়নপুর এলাকার বাসিন্দারা দীর্ঘ প্রায় দুই যুগের জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে সরকারি বরাদ্দ বা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের উদ্যোগের অপেক্ষায় না থেকে নিজস্ব অর্থায়নে ড্রেন নির্মাণ করছেন। প্রায় ৪০টি পরিবারের যৌথ অর্থায়নে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা দীর্ঘদিনের জনদুর্ভোগ লাঘবে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে স্থানীয়রা আশা করছেন। তবে প্রশাসন জানিয়েছে, অনুমতি ছাড়াই সড়ক কেটে ড্রেন নির্মাণ করা হয়েছে।

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, মাওনা-ধনুয়া আঞ্চলিক সড়কের ওই অংশে বছরের পর বছর বৃষ্টির পানি জমে থাকায় এলাকাটি জলাবদ্ধতার স্থায়ী কেন্দ্রে পরিণত হয়েছিল। এর ফলে আশপাশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, পোশাক কারখানার হাজারো শ্রমিক, ব্যবসায়ী, পথচারী ও যানবাহনের চালকদের প্রতিদিন দুর্ভোগ পোহাতে হতো। স্থানীয় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা জানায়, বছরের চার থেকে পাঁচ মাস সড়কের নিচু অংশ পানির নিচে থাকত এবং অনেক সময় রিকশা বা সাইকেলও চলতে পারত না। কাদা পানিতে পড়ে স্কুল-কলেজে যেতে না পারার ঘটনাও ঘটেছে।

মুদি ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেন বলেন, নির্মাণকাজ চলাকালে সাময়িক ভোগান্তি হলেও কাজ শেষ হলে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি মিলবে। তিনি জনপ্রতিনিধি বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদ্যোগের অভাবের কথা উল্লেখ করেন। স্থানীয় বিএনপি নেতা ও মাওনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আরিফুল ইসলাম সরকার এই উদ্যোগকে জনস্বার্থে অত্যন্ত প্রশংসনীয় বলে অভিহিত করেছেন।