ঢাকা ০৭:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

রাজধানীর বাড্ডায় নিখোঁজ অটোরিকশাচালকের মাটিচাপা দেওয়া মরদেহ উদ্ধার, আটক ২

রাজধানীর বাড্ডায় নিখোঁজের তিন দিন পর অলি (২৪) নামে এক অটোরিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে পূর্ব বাড্ডা এলাকার একটি পরিত্যক্ত জমি থেকে পলিথিনে মোড়ানো এবং মাটিচাপা দেওয়া অবস্থায় তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, পূর্ব শত্রুতা ও অর্থ সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। এই ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ দুইজনকে আটক করেছে।

নিহত অলি কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার লতিফপুর গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন এবং বাড্ডার জোড়াখাম্বা এলাকায় ভাড়ায় বসবাস করতেন। গত ২১ জুলাই থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে তাঁর সন্ধান না পাওয়ায় পুলিশকে অবহিত করেন। পরবর্তীতে স্থানীয় একটি বালুর মাঠের পাশ থেকে অলির ব্যবহৃত রক্তমাখা পোশাক ও স্যান্ডেল উদ্ধার হলে ঘনীভূত হয় রহস্য। শেষ পর্যন্ত পুলিশ মাটি খুঁড়ে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

পুলিশের তদন্তকারী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নিহতের মাথায় ও কানে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে এবং মুখমণ্ডল কাপড় দিয়ে শক্ত করে বাঁধা ছিল। অলির স্বজনদের দাবি, পাওনা টাকা ফেরত চাওয়া নিয়ে এক বন্ধুর সাথে তাঁর বিরোধ চলছিল, যা এই হত্যাকাণ্ডের মূল কারণ হতে পারে। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে পুলিশি তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাভারে কয়েলের আগুনে দগ্ধ দম্পতি, জীবন রক্ষায় লড়ছেন বার্ন ইউনিটে

রাজধানীর বাড্ডায় নিখোঁজ অটোরিকশাচালকের মাটিচাপা দেওয়া মরদেহ উদ্ধার, আটক ২

আপডেট সময় : ০৪:৫২:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

রাজধানীর বাড্ডায় নিখোঁজের তিন দিন পর অলি (২৪) নামে এক অটোরিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে পূর্ব বাড্ডা এলাকার একটি পরিত্যক্ত জমি থেকে পলিথিনে মোড়ানো এবং মাটিচাপা দেওয়া অবস্থায় তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, পূর্ব শত্রুতা ও অর্থ সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। এই ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ দুইজনকে আটক করেছে।

নিহত অলি কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার লতিফপুর গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন এবং বাড্ডার জোড়াখাম্বা এলাকায় ভাড়ায় বসবাস করতেন। গত ২১ জুলাই থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে তাঁর সন্ধান না পাওয়ায় পুলিশকে অবহিত করেন। পরবর্তীতে স্থানীয় একটি বালুর মাঠের পাশ থেকে অলির ব্যবহৃত রক্তমাখা পোশাক ও স্যান্ডেল উদ্ধার হলে ঘনীভূত হয় রহস্য। শেষ পর্যন্ত পুলিশ মাটি খুঁড়ে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

পুলিশের তদন্তকারী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নিহতের মাথায় ও কানে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে এবং মুখমণ্ডল কাপড় দিয়ে শক্ত করে বাঁধা ছিল। অলির স্বজনদের দাবি, পাওনা টাকা ফেরত চাওয়া নিয়ে এক বন্ধুর সাথে তাঁর বিরোধ চলছিল, যা এই হত্যাকাণ্ডের মূল কারণ হতে পারে। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে পুলিশি তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।