ঢাকা ০৮:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ

শারীরিক অসুস্থতা ও সাংবিধানিক জটিলতা এড়াতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন। শুক্রবার বিকেলে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের কাছে তিনি তার পদত্যাগপত্র জমা দেন। পদত্যাগপত্রে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ এবং কিডনি জটিলতার পাশাপাশি সম্প্রতি তার শরীরে ‘অটোনোমিক নিউরোপ্যাথি’ নামক একটি রোগ শনাক্ত হয়েছে, যার ফলে তিনি মাঝেমধ্যে অচেতন হয়ে পড়েন।

পদত্যাগপত্রে রাষ্ট্রপতি তার দায়িত্বকাল এবং ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করেন। তিনি জানান, দেশের এক চরম সংকটময় মুহূর্তে সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শ অনুযায়ী তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করেছিলেন এবং দেশের সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষায় সচেষ্ট ছিলেন। তবে বর্তমান শারীরিক ও মানসিক অসামর্থ্যের কারণে এই গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় পদের দায়িত্ব পালন করা তার পক্ষে আর সম্ভব হচ্ছে না।

সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তিনি এই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে চিঠিতে জানিয়েছেন। ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেওয়া মো. সাহাবুদ্দিন তার পদত্যাগপত্রে আরও উল্লেখ করেন যে, তার দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসার প্রয়োজন। স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র হস্তান্তরের মাধ্যমে তার এই দায়িত্বের আনুষ্ঠানিক অবসান ঘটল।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দিনাজপুরে শত্রুতার জেরে ২৯৬টি আমগাছ কেটে সাবাড়, তদন্ত শুরু

শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ

আপডেট সময় : ০৬:০৪:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

শারীরিক অসুস্থতা ও সাংবিধানিক জটিলতা এড়াতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন। শুক্রবার বিকেলে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের কাছে তিনি তার পদত্যাগপত্র জমা দেন। পদত্যাগপত্রে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ এবং কিডনি জটিলতার পাশাপাশি সম্প্রতি তার শরীরে ‘অটোনোমিক নিউরোপ্যাথি’ নামক একটি রোগ শনাক্ত হয়েছে, যার ফলে তিনি মাঝেমধ্যে অচেতন হয়ে পড়েন।

পদত্যাগপত্রে রাষ্ট্রপতি তার দায়িত্বকাল এবং ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করেন। তিনি জানান, দেশের এক চরম সংকটময় মুহূর্তে সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শ অনুযায়ী তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করেছিলেন এবং দেশের সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষায় সচেষ্ট ছিলেন। তবে বর্তমান শারীরিক ও মানসিক অসামর্থ্যের কারণে এই গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় পদের দায়িত্ব পালন করা তার পক্ষে আর সম্ভব হচ্ছে না।

সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তিনি এই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে চিঠিতে জানিয়েছেন। ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেওয়া মো. সাহাবুদ্দিন তার পদত্যাগপত্রে আরও উল্লেখ করেন যে, তার দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসার প্রয়োজন। স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র হস্তান্তরের মাধ্যমে তার এই দায়িত্বের আনুষ্ঠানিক অবসান ঘটল।