ঢাকা ০৫:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

২৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়েও ফেরেননি বিএনপি নেতা জামাল: দুই যুগের বিচারহীনতা

চট্টগ্রামের চকবাজার থেকে বাসায় ফেরার পথে ২০০৩ সালের ২৪ জুলাই নিখোঁজ হয়েছিলেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির তৎকালীন সহ-সভাপতি জামাল উদ্দিন। দীর্ঘ দুই বছর পর পাহাড়ি এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয় তার কঙ্কাল। চাঞ্চল্যকর এই অপহরণ ও হত্যাকাণ্ডের দুই যুগ পার হতে চললেও এখনো বিচার পায়নি তার পরিবার। অপহরণকারীরা প্রথমে ৫০ লাখ টাকা দাবি করলেও পরে ২৫ লাখ টাকায় রফা হয়, কিন্তু টাকা পরিশোধের পরও ফিরে আসেননি জামাল উদ্দিন।

পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার শুরুতে পুলিশ বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়নি। পরবর্তীতে ২০০৫ সালে অপহরণকারী শহীদুল ইসলামের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ফটিকছড়ির কাঞ্চননগর থেকে জামালের কঙ্কাল উদ্ধার করে র‍্যাব। সিঙ্গাপুরে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে কঙ্কালটির পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়। জবানবন্দিতে উঠে আসে মুক্তিপণ আদায় ও হত্যার রোমহর্ষক বর্ণনা।

দীর্ঘ সাড়ে তিন বছরের তদন্ত শেষে সিআইডি ২০০৬ সালে ১৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে, যেখানে কয়েকজন প্রভাবশালী নেতাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এই চার্জশিটের বিরুদ্ধে বাদীপক্ষ নারাজি আবেদন করলেও আইনি জটিলতা ও উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশের কারণে মামলার বিচার প্রক্রিয়া বারবার থমকে গেছে। ফলে ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন স্বজনরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে অনড় ককরোচ পার্টি, সময় চাইল মোদি সরকার

২৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়েও ফেরেননি বিএনপি নেতা জামাল: দুই যুগের বিচারহীনতা

আপডেট সময় : ০১:৩০:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রামের চকবাজার থেকে বাসায় ফেরার পথে ২০০৩ সালের ২৪ জুলাই নিখোঁজ হয়েছিলেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির তৎকালীন সহ-সভাপতি জামাল উদ্দিন। দীর্ঘ দুই বছর পর পাহাড়ি এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয় তার কঙ্কাল। চাঞ্চল্যকর এই অপহরণ ও হত্যাকাণ্ডের দুই যুগ পার হতে চললেও এখনো বিচার পায়নি তার পরিবার। অপহরণকারীরা প্রথমে ৫০ লাখ টাকা দাবি করলেও পরে ২৫ লাখ টাকায় রফা হয়, কিন্তু টাকা পরিশোধের পরও ফিরে আসেননি জামাল উদ্দিন।

পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার শুরুতে পুলিশ বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়নি। পরবর্তীতে ২০০৫ সালে অপহরণকারী শহীদুল ইসলামের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ফটিকছড়ির কাঞ্চননগর থেকে জামালের কঙ্কাল উদ্ধার করে র‍্যাব। সিঙ্গাপুরে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে কঙ্কালটির পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়। জবানবন্দিতে উঠে আসে মুক্তিপণ আদায় ও হত্যার রোমহর্ষক বর্ণনা।

দীর্ঘ সাড়ে তিন বছরের তদন্ত শেষে সিআইডি ২০০৬ সালে ১৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে, যেখানে কয়েকজন প্রভাবশালী নেতাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এই চার্জশিটের বিরুদ্ধে বাদীপক্ষ নারাজি আবেদন করলেও আইনি জটিলতা ও উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশের কারণে মামলার বিচার প্রক্রিয়া বারবার থমকে গেছে। ফলে ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন স্বজনরা।