ঢাকা ০৭:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

লন্ডনের হোটেলে সৌদি যুবরাজের রহস্যজনক মৃত্যু, মাদক সেবনকে দায়ী করল ব্রিটিশ আদালত

লন্ডনের একটি অভিজাত হোটেলে সৌদি আরবের যুবরাজ আবদুল্লাহ বিন ফাহাদের (২৯) মৃত্যুর কারণ নিয়ে দীর্ঘ তদন্ত শেষে রায় দিয়েছে যুক্তরাজ্যের একটি আদালত। ময়নাতদন্ত ও পারিপার্শ্বিক তথ্যপ্রমাণ বিশ্লেষণ করে আদালত নিশ্চিত করেছে যে, অতিরিক্ত মাদক ও অ্যালকোহল সেবনের ফলে হৃদ্‌যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনাকে একটি ‘দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং এর পেছনে কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বা আত্মহত্যার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

গত বছরের ২৫ নভেম্বর পশ্চিম লন্ডনের কেনসিংটনে অবস্থিত ম্যারিয়ট হোটেলের বাথরুম থেকে যুবরাজের নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়। হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করে দেখা গেছে, মৃত্যুর আগের রাতে তিনি তাঁর কক্ষে একাই ছিলেন। টক্সিকোলজি রিপোর্টে তাঁর শরীরে উচ্চমাত্রার অ্যালকোহলসহ গাঁজা, জ্যানাক্স ও পার্টি ড্রাগ জিএইচবি-র মতো একাধিক মাদকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এসবের বিষাক্ত প্রভাবে তাঁর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে।

তদন্তে উঠে এসেছে যে, সৌদি রাজপরিবারের এই সদস্য দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্তিতে ভুগছিলেন। এমনকি মৃত্যুর কিছুদিন আগেও তিনি লন্ডনের দুটি পুনর্বাসন কেন্দ্রে চিকিৎসা নিয়েছিলেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুবরাজের এই অকাল মৃত্যু তাঁর পরিবারের জন্য এক শোকাবহ অধ্যায় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুরে নিখোঁজ ব্যক্তির লাশ ডোবা থেকে উদ্ধার, মৃগী রোগী ছিলেন বলে জানাল পরিবার

লন্ডনের হোটেলে সৌদি যুবরাজের রহস্যজনক মৃত্যু, মাদক সেবনকে দায়ী করল ব্রিটিশ আদালত

আপডেট সময় : ০৪:৫২:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

লন্ডনের একটি অভিজাত হোটেলে সৌদি আরবের যুবরাজ আবদুল্লাহ বিন ফাহাদের (২৯) মৃত্যুর কারণ নিয়ে দীর্ঘ তদন্ত শেষে রায় দিয়েছে যুক্তরাজ্যের একটি আদালত। ময়নাতদন্ত ও পারিপার্শ্বিক তথ্যপ্রমাণ বিশ্লেষণ করে আদালত নিশ্চিত করেছে যে, অতিরিক্ত মাদক ও অ্যালকোহল সেবনের ফলে হৃদ্‌যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনাকে একটি ‘দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং এর পেছনে কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বা আত্মহত্যার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

গত বছরের ২৫ নভেম্বর পশ্চিম লন্ডনের কেনসিংটনে অবস্থিত ম্যারিয়ট হোটেলের বাথরুম থেকে যুবরাজের নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়। হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করে দেখা গেছে, মৃত্যুর আগের রাতে তিনি তাঁর কক্ষে একাই ছিলেন। টক্সিকোলজি রিপোর্টে তাঁর শরীরে উচ্চমাত্রার অ্যালকোহলসহ গাঁজা, জ্যানাক্স ও পার্টি ড্রাগ জিএইচবি-র মতো একাধিক মাদকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এসবের বিষাক্ত প্রভাবে তাঁর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে।

তদন্তে উঠে এসেছে যে, সৌদি রাজপরিবারের এই সদস্য দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্তিতে ভুগছিলেন। এমনকি মৃত্যুর কিছুদিন আগেও তিনি লন্ডনের দুটি পুনর্বাসন কেন্দ্রে চিকিৎসা নিয়েছিলেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুবরাজের এই অকাল মৃত্যু তাঁর পরিবারের জন্য এক শোকাবহ অধ্যায় হয়ে দাঁড়িয়েছে।