ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম অভিযোগ করেছেন যে, দেশের ক্ষমতা যাদের হাতে, তারা জনগণের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে ব্যর্থ হয়েছে। তার মতে, ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নে সরকারের অনীহা প্রমাণ করে যে তারা দেশের জনগণের মনোভাব বুঝতে পারেনি।
শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। চরমোনাই পীর আরও বলেন, ভালো নেতা ও ভালো নীতি ছাড়া জাতির মুক্তি সম্ভব নয়। দেশের উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও সুশাসনের স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য নেতৃত্ব ও নীতির সঠিক সমন্বয় অপরিহার্য। তিনি জোর দেন যে, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি এবং মাদক নির্মূলে ইসলামের শ্রেষ্ঠ আদর্শের কোনো বিকল্প নেই।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ইসলামের নামে কোনো অনৈতিকতা, উশৃঙ্খলতা বা ধোঁকাবাজি করা হলে তা ইসলামকে কলঙ্কিত করে। বিজাতীয় সংস্কৃতি ও অনৈসলামিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ইসলামের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়।
ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মাওলানা অলিউল্লাহ তালুকদারের সভাপতিত্বে এবং ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন ও দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক নেসার উদ্দিন হুজাইফের যৌথ সঞ্চালনায় আয়োজিত এই সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রিন্সিপাল সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, সহকারী মহাসচিব আহমাদ আব্দুল কাইয়ুম। প্রধান বক্তা ছিলেন ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদপ্রার্থী আলহাজ্ব আতিকুর রহমান মুজাহিদ।
এছাড়াও বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি মাওলানা হাম্মাদ বিন মোশাররফ, ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম। সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা ইলিয়াস হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রভাষক মাওলানা আল আমীন, প্রচার সম্পাদক মুফতি আবু বকর সিদ্দীক এবং ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আরিফ বিন মেহের।
রিপোর্টারের নাম 



















