ঢাকা ০৫:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

এশিয়ায় অনলাইন প্রতারণার ভয়াবহ বিস্তার: বছরে ক্ষতি ১১ হাজার কোটি ডলার

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১১:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াসহ প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে অনলাইন প্রতারণার মাধ্যমে গ্রাহকদের বিশাল অংকের আর্থিক ক্ষতির তথ্য প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। ড্রাগস অ্যান্ড ক্রাইম বিষয়ক দপ্তরের (ইউএনওডিসি) সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত এক বছরে এই অঞ্চলে জালিয়াতির মাধ্যমে অন্তত ১১৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার হাতিয়ে নিয়েছে অপরাধী চক্রগুলো। ২০২৩ সালের তুলনায় এই ক্ষতির পরিমাণ প্রায় তিন গুণ বেড়েছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিনিয়োগের প্রলোভন এবং প্রেমের ফাঁদ পেতে মূলত এই অর্থ আত্মসাৎ করা হচ্ছে। বিশেষ করে কম্বোডিয়া ও মিয়ানমার বর্তমানে এসব সাইবার অপরাধের আন্তর্জাতিক কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। এসব অপরাধী চক্রের নেটওয়ার্ক এতটাই শক্তিশালী যে তারা সুরক্ষিত কমপ্লেক্স থেকে ক্রিপ্টোকারেন্সি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে বিশ্বজুড়ে প্রতারণা চালাচ্ছে।

এই অপরাধের নেপথ্যে মানবপাচারের মতো ভয়াবহ চিত্রও উঠে এসেছে। অনেককে ভালো কাজের প্রলোভন দেখিয়ে এসব সাইবার স্ক্যামিং সেন্টারে আটকে রেখে জোরপূর্বক কাজ করানো হচ্ছে। আন্তর্জাতিক চাপের মুখে চীন ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দেশগুলো অভিযান জোরদার করলেও অপরাধীরা প্রতিনিয়ত তাদের কৌশল পরিবর্তন করছে। প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত এই নেটওয়ার্কগুলো এখন বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতারণার মামলায় জামিন পেলেন তৌহিদ আফ্রিদি

এশিয়ায় অনলাইন প্রতারণার ভয়াবহ বিস্তার: বছরে ক্ষতি ১১ হাজার কোটি ডলার

আপডেট সময় : ১০:১১:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াসহ প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে অনলাইন প্রতারণার মাধ্যমে গ্রাহকদের বিশাল অংকের আর্থিক ক্ষতির তথ্য প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। ড্রাগস অ্যান্ড ক্রাইম বিষয়ক দপ্তরের (ইউএনওডিসি) সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত এক বছরে এই অঞ্চলে জালিয়াতির মাধ্যমে অন্তত ১১৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার হাতিয়ে নিয়েছে অপরাধী চক্রগুলো। ২০২৩ সালের তুলনায় এই ক্ষতির পরিমাণ প্রায় তিন গুণ বেড়েছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিনিয়োগের প্রলোভন এবং প্রেমের ফাঁদ পেতে মূলত এই অর্থ আত্মসাৎ করা হচ্ছে। বিশেষ করে কম্বোডিয়া ও মিয়ানমার বর্তমানে এসব সাইবার অপরাধের আন্তর্জাতিক কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। এসব অপরাধী চক্রের নেটওয়ার্ক এতটাই শক্তিশালী যে তারা সুরক্ষিত কমপ্লেক্স থেকে ক্রিপ্টোকারেন্সি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে বিশ্বজুড়ে প্রতারণা চালাচ্ছে।

এই অপরাধের নেপথ্যে মানবপাচারের মতো ভয়াবহ চিত্রও উঠে এসেছে। অনেককে ভালো কাজের প্রলোভন দেখিয়ে এসব সাইবার স্ক্যামিং সেন্টারে আটকে রেখে জোরপূর্বক কাজ করানো হচ্ছে। আন্তর্জাতিক চাপের মুখে চীন ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দেশগুলো অভিযান জোরদার করলেও অপরাধীরা প্রতিনিয়ত তাদের কৌশল পরিবর্তন করছে। প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত এই নেটওয়ার্কগুলো এখন বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ।