শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় নিয়ে বিশ্বজুড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ওপর কড়াকড়ি আরোপের হিড়িক পড়েছে। ফ্রান্সের পার্লামেন্টে ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধ করার বিষয়ে ভোটাভুটি হওয়ার কথা রয়েছে। ইতোমধ্যে বিশ্বের প্রায় ২০টি দেশ এ ধরনের আইন কার্যকর করেছে অথবা বাস্তবায়নের পথে রয়েছে। মূলত অপ্রাপ্তবয়স্কদের ওপর ইন্টারনেটের নেতিবাচক প্রভাব কমাতেই সরকারগুলো এমন কঠোর সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।
অস্ট্রেলিয়া ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পুরোপুরি নিষিদ্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে। ব্রাজিলে নতুন আইন অনুযায়ী, ১৬ বছরের কম বয়সীদের অ্যাকাউন্ট তাদের অভিভাবকের সঙ্গে যুক্ত রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। অন্যদিকে, চীন ২০১৯ সাল থেকেই ধাপে ধাপে অপ্রাপ্তবয়স্কদের অনলাইন গেম ও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে প্রবেশের সময়সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে। এছাড়া ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও তুরস্কের মতো দেশগুলোও বয়সভেদে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নও (ইইউ) এ বিষয়ে পিছিয়ে নেই। ২৭টি সদস্য দেশের জন্য একটি সমন্বিত নীতিমালা তৈরির প্রস্তাব দিতে যাচ্ছে ইউরোপীয় কমিশন, যেখানে ১৩ বছরের কম বয়সীদের জন্য সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা এবং ১৮ বছর পর্যন্ত ধাপে ধাপে প্রবেশাধিকারের কথা বলা হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতও আগামী বছর থেকে ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শিশুদের অনলাইন আসক্তি কমাতে এবং সাইবার বুলিং থেকে রক্ষায় এসব আইন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 






















