ঢাকা ০৫:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

হাটহাজারীতে দুই বছরেও শেষ হয়নি আনন্দবাজার সেতুর কাজ, ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৬:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার গড়দুয়ারা ও মেখল ইউনিয়নকে সংযোগকারী সারাং সড়কের আনন্দবাজার এলাকায় নির্মাণাধীন সেতুর কাজ দুই বছর পেরিয়ে গেলেও শেষ হয়নি। নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রম করার পর এক দফা সময় বাড়ানো হলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে দুই ইউনিয়নের কয়েক হাজার মানুষ এবং স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সেতুর পিলারের কাজ শেষ হলেও স্প্যান বসানোর কাজ চলছে অত্যন্ত ধীরগতিতে। সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে নদীতে পানি বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও নাজুক হয়ে পড়েছে। বর্তমানে মানুষের চলাচলের জন্য খালের ওপর একটি নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো তৈরি করে দিয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এই ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো দিয়েই প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছে স্থানীয় শিক্ষার্থী ও বাসিন্দারা।

এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৩ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ২১ মিটার দীর্ঘ এই সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে। চুক্তি অনুযায়ী ২০২৪ সালের অক্টোবরের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা ছিল। তবে অতিবৃষ্টির অজুহাত দেখিয়ে কাজ পিছিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন উপজেলা প্রকৌশলী। এদিকে উপজেলা প্রশাসন দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেছে বলে জানা গেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতারণার মামলায় জামিন পেলেন তৌহিদ আফ্রিদি

হাটহাজারীতে দুই বছরেও শেষ হয়নি আনন্দবাজার সেতুর কাজ, ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ

আপডেট সময় : ০৯:৪৬:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার গড়দুয়ারা ও মেখল ইউনিয়নকে সংযোগকারী সারাং সড়কের আনন্দবাজার এলাকায় নির্মাণাধীন সেতুর কাজ দুই বছর পেরিয়ে গেলেও শেষ হয়নি। নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রম করার পর এক দফা সময় বাড়ানো হলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে দুই ইউনিয়নের কয়েক হাজার মানুষ এবং স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সেতুর পিলারের কাজ শেষ হলেও স্প্যান বসানোর কাজ চলছে অত্যন্ত ধীরগতিতে। সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে নদীতে পানি বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও নাজুক হয়ে পড়েছে। বর্তমানে মানুষের চলাচলের জন্য খালের ওপর একটি নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো তৈরি করে দিয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এই ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো দিয়েই প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছে স্থানীয় শিক্ষার্থী ও বাসিন্দারা।

এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৩ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ২১ মিটার দীর্ঘ এই সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে। চুক্তি অনুযায়ী ২০২৪ সালের অক্টোবরের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা ছিল। তবে অতিবৃষ্টির অজুহাত দেখিয়ে কাজ পিছিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন উপজেলা প্রকৌশলী। এদিকে উপজেলা প্রশাসন দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেছে বলে জানা গেছে।