ঢাকা ০৬:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

লোহাগাড়ায় ১৩ কিলোমিটার সড়কজুড়ে খানাখন্দ: চরম ভোগান্তিতে লাখো মানুষ

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার সদর থেকে পুঁটিবিলা ইউনিয়নের হাসনাভিটা ব্রিজ পর্যন্ত ১৩ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটি এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। সড়কের বিভিন্ন স্থানে বিশাল বিশাল গর্ত ও পিচ ঢালাই উঠে যাওয়ায় যানবাহন চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এতে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন স্থানীয় কয়েক লাখ মানুষ।

সরেজমিনে দেখা গেছে, দরবেশহাট, হোসাইনাপাড়া, এমচর হাট বাজারসহ অন্তত এক ডজন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সড়কের অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। বড় বড় গর্তের কারণে রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। মুমূর্ষু রোগী ও শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে পোহাতে হচ্ছে অবর্ণনীয় কষ্ট। সড়কের বেহাল দশার কারণে অনেক সময় যাত্রীরা মাঝপথে নেমে হেঁটে গন্তব্যে পৌঁছাতে বাধ্য হচ্ছেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি ওজনের বালু ও কাঠবোঝাই ট্রাক চলাচলের কারণেই সড়কটি দ্রুত নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না করায় সামান্য বৃষ্টিতেই এসব গর্তে পানি জমে কর্দমাক্ত হয়ে পড়ে। স্থানীয় এক কলেজ শিক্ষার্থী জানান, আগে যেখানে কলেজে যেতে ৩০ মিনিট সময় লাগত, এখন সেখানে এক ঘণ্টার বেশি সময় ব্যয় হচ্ছে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী ইফরাত বিন মুনির জানান, সড়কটির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে তারা অবগত আছেন এবং এটি দ্রুত সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। সরকারি বরাদ্দ সাপেক্ষে দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজ শুরু হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সীমান্তে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা ব্যর্থ, সতর্ক অবস্থানে বিজিবি

লোহাগাড়ায় ১৩ কিলোমিটার সড়কজুড়ে খানাখন্দ: চরম ভোগান্তিতে লাখো মানুষ

আপডেট সময় : ১২:০২:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার সদর থেকে পুঁটিবিলা ইউনিয়নের হাসনাভিটা ব্রিজ পর্যন্ত ১৩ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটি এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। সড়কের বিভিন্ন স্থানে বিশাল বিশাল গর্ত ও পিচ ঢালাই উঠে যাওয়ায় যানবাহন চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এতে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন স্থানীয় কয়েক লাখ মানুষ।

সরেজমিনে দেখা গেছে, দরবেশহাট, হোসাইনাপাড়া, এমচর হাট বাজারসহ অন্তত এক ডজন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সড়কের অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। বড় বড় গর্তের কারণে রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। মুমূর্ষু রোগী ও শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে পোহাতে হচ্ছে অবর্ণনীয় কষ্ট। সড়কের বেহাল দশার কারণে অনেক সময় যাত্রীরা মাঝপথে নেমে হেঁটে গন্তব্যে পৌঁছাতে বাধ্য হচ্ছেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি ওজনের বালু ও কাঠবোঝাই ট্রাক চলাচলের কারণেই সড়কটি দ্রুত নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না করায় সামান্য বৃষ্টিতেই এসব গর্তে পানি জমে কর্দমাক্ত হয়ে পড়ে। স্থানীয় এক কলেজ শিক্ষার্থী জানান, আগে যেখানে কলেজে যেতে ৩০ মিনিট সময় লাগত, এখন সেখানে এক ঘণ্টার বেশি সময় ব্যয় হচ্ছে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী ইফরাত বিন মুনির জানান, সড়কটির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে তারা অবগত আছেন এবং এটি দ্রুত সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। সরকারি বরাদ্দ সাপেক্ষে দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজ শুরু হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।