ঢাকা ০৫:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

কুয়েতে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের ড্রোন হামলার দাবি: মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪১:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। কুয়েতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি বড় সামরিক স্থাপনায় ‘কামিকাজে’ (আত্মঘাতী) ড্রোন দিয়ে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের সেনাবাহিনী। এই হামলার ফলে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইরানের আধাসরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা কুয়েতের ক্যাম্প আরিফজানের প্রশাসনিক ভবন ও ডিরেকশন-ফাইন্ডিং অ্যান্টেনা, ক্যাম্প আল-আদিরির হেলিকপ্টার পার্কিং এলাকা এবং আহমেদ আল-জাবের ঘাঁটির সেনা আবাসনকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। সুনির্দিষ্টভাবে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘মার্কিন সন্ত্রাসী বাহিনীর তাণ্ডবের কারণে এ অঞ্চলের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়েছে। ইসলামিক রিপাবলিকের সশস্ত্র বাহিনী যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে এই লড়াইয়ের মাধ্যমে অঞ্চলে নিরাপত্তা ও শান্তি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে।’ ইরানের এই পদক্ষেপকে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্য নীতিমালার বিরুদ্ধে সরাসরি চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এর আগে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি) আহমেদ আল-জাবের ঘাঁটি ও আলি আল-সালেম বিমানঘাঁটিতে মার্কিন স্থাপনায় হামলার দাবি করার পরপরই সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে এই নতুন তথ্য জানানো হলো। এই ধারাবাহিক হামলাগুলো অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতির ওপর ইরানের ক্রমবর্ধমান চাপকেই নির্দেশ করে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতারণার মামলায় জামিন পেলেন তৌহিদ আফ্রিদি

কুয়েতে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের ড্রোন হামলার দাবি: মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনা

আপডেট সময় : ০৯:৪১:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। কুয়েতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি বড় সামরিক স্থাপনায় ‘কামিকাজে’ (আত্মঘাতী) ড্রোন দিয়ে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের সেনাবাহিনী। এই হামলার ফলে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইরানের আধাসরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা কুয়েতের ক্যাম্প আরিফজানের প্রশাসনিক ভবন ও ডিরেকশন-ফাইন্ডিং অ্যান্টেনা, ক্যাম্প আল-আদিরির হেলিকপ্টার পার্কিং এলাকা এবং আহমেদ আল-জাবের ঘাঁটির সেনা আবাসনকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। সুনির্দিষ্টভাবে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘মার্কিন সন্ত্রাসী বাহিনীর তাণ্ডবের কারণে এ অঞ্চলের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়েছে। ইসলামিক রিপাবলিকের সশস্ত্র বাহিনী যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে এই লড়াইয়ের মাধ্যমে অঞ্চলে নিরাপত্তা ও শান্তি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে।’ ইরানের এই পদক্ষেপকে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্য নীতিমালার বিরুদ্ধে সরাসরি চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এর আগে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি) আহমেদ আল-জাবের ঘাঁটি ও আলি আল-সালেম বিমানঘাঁটিতে মার্কিন স্থাপনায় হামলার দাবি করার পরপরই সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে এই নতুন তথ্য জানানো হলো। এই ধারাবাহিক হামলাগুলো অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতির ওপর ইরানের ক্রমবর্ধমান চাপকেই নির্দেশ করে।