ঢাকা ০৮:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

তারাগঞ্জে সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কে হাঁটু পানি, জনজীবনে চরম ভোগান্তি

রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় সামান্য বৃষ্টিতেই কেন্দ্রীয় দুর্গামন্দিরের সামনে থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. জয়নাল আবেদীনের বাড়ি পর্যন্ত সড়কটি হাঁটু পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে। এই জলাবদ্ধতার কারণে প্রতিদিন হাজার হাজার পথচারী, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী এবং স্থানীয় বাসিন্দারা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

সড়কটির বেহাল অবস্থা এবং কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থার অভাবই এই জলাবদ্ধতার প্রধান কারণ। স্থানীয় বাসিন্দা এনামুল হক জানান, কয়েক বছর আগে নির্মিত ড্রেনটি অল্প সময়ের মধ্যেই অকেজো হয়ে পড়েছে। বর্তমানে পানি নিষ্কাশনের কোনো সুব্যবস্থা না থাকায় বর্ষাকালে এই সড়কটি প্রায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। তিনি দ্রুত একটি স্থায়ী ও পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণের দাবি জানান।

স্থানীয় ব্যবসায়ী জুয়েল হোসেন বলেন, এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন বাজারে যাতায়াত করতে হয়। রিকশা বা ভ্যানে যাতায়াতের সময় কাদাপানি ছিটকে কাপড় নষ্ট হয়ে যায়। দীর্ঘদিন ধরে এই দুর্ভোগের কোনো সমাধান হয়নি। এস কে মডেল স্কুলের শিক্ষার্থী তাহসান জানায়, বৃষ্টি হলেই হাঁটুসমান পানি জমে যায়, যা তাদের স্কুলে যাতায়াতে বাধা সৃষ্টি করে এবং ইউনিফর্ম ও বই-খাতা নষ্ট করে দেয়।

উপজেলা প্রকৌশলী নাফিউর রহমান বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন জানিয়ে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাকার হ্যাটট্রিকে ফ্রান্সকে হারিয়ে বিশ্বকাপে তৃতীয় ইংল্যান্ড, তৃপ্ত টুখেল

তারাগঞ্জে সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কে হাঁটু পানি, জনজীবনে চরম ভোগান্তি

আপডেট সময় : ১১:৪৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় সামান্য বৃষ্টিতেই কেন্দ্রীয় দুর্গামন্দিরের সামনে থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. জয়নাল আবেদীনের বাড়ি পর্যন্ত সড়কটি হাঁটু পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে। এই জলাবদ্ধতার কারণে প্রতিদিন হাজার হাজার পথচারী, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী এবং স্থানীয় বাসিন্দারা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

সড়কটির বেহাল অবস্থা এবং কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থার অভাবই এই জলাবদ্ধতার প্রধান কারণ। স্থানীয় বাসিন্দা এনামুল হক জানান, কয়েক বছর আগে নির্মিত ড্রেনটি অল্প সময়ের মধ্যেই অকেজো হয়ে পড়েছে। বর্তমানে পানি নিষ্কাশনের কোনো সুব্যবস্থা না থাকায় বর্ষাকালে এই সড়কটি প্রায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। তিনি দ্রুত একটি স্থায়ী ও পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণের দাবি জানান।

স্থানীয় ব্যবসায়ী জুয়েল হোসেন বলেন, এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন বাজারে যাতায়াত করতে হয়। রিকশা বা ভ্যানে যাতায়াতের সময় কাদাপানি ছিটকে কাপড় নষ্ট হয়ে যায়। দীর্ঘদিন ধরে এই দুর্ভোগের কোনো সমাধান হয়নি। এস কে মডেল স্কুলের শিক্ষার্থী তাহসান জানায়, বৃষ্টি হলেই হাঁটুসমান পানি জমে যায়, যা তাদের স্কুলে যাতায়াতে বাধা সৃষ্টি করে এবং ইউনিফর্ম ও বই-খাতা নষ্ট করে দেয়।

উপজেলা প্রকৌশলী নাফিউর রহমান বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন জানিয়ে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন।