ঢাকা ০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

শাপলা চত্বরের শহীদদের মরদেহ গুমের অপচেষ্টা হয়েছিল: মামুনুল হক

২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশে নিহতদের মরদেহ রাষ্ট্রীয়ভাবে গুম করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল বলে দাবি করেছেন সংগঠনটির যুগ্ম মহাসচিব আল্লামা মামুনুল হক। রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে তদন্তের অগ্রগতি জানতে গিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ দাবি করেন।

মামুনুল হক বলেন, তৎকালীন সরকারের পক্ষ থেকে শাপলা চত্বরের শহীদদের তথ্য ও মরদেহ আড়াল করার চেষ্টা করা হয়েছিল, যার ফলে অনেকের হদিস মেলেনি। তিনি উল্লেখ করেন, ওই আন্দোলনে সমাজের সব স্তরের মানুষ অংশ নিয়েছিলেন এবং শহীদের তালিকায় সাধারণ শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে রাজনৈতিক কর্মীরাও রয়েছেন। তদন্তে এখন পর্যন্ত যে সংখ্যাটি এসেছে, তা কেবল সংগ্রহ করা তথ্যের ভিত্তিতে।

তদন্তের খসড়া প্রতিবেদন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে প্রতিবেদনটি পর্যালোচনা করে কিছু সংশোধনের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। দু-একদিনের মধ্যে তাদের পর্যবেক্ষণ প্রসিকিউশনকে জানানো হবে। আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিবেদন দাখিল না হওয়া পর্যন্ত সব বিষয় উন্মুক্ত করা সম্ভব নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দ নেইমারকে উৎসর্গ করলেন স্প্যানিশ তারকা নিকো উইলিয়ামস

শাপলা চত্বরের শহীদদের মরদেহ গুমের অপচেষ্টা হয়েছিল: মামুনুল হক

আপডেট সময় : ০৭:০০:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশে নিহতদের মরদেহ রাষ্ট্রীয়ভাবে গুম করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল বলে দাবি করেছেন সংগঠনটির যুগ্ম মহাসচিব আল্লামা মামুনুল হক। রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে তদন্তের অগ্রগতি জানতে গিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ দাবি করেন।

মামুনুল হক বলেন, তৎকালীন সরকারের পক্ষ থেকে শাপলা চত্বরের শহীদদের তথ্য ও মরদেহ আড়াল করার চেষ্টা করা হয়েছিল, যার ফলে অনেকের হদিস মেলেনি। তিনি উল্লেখ করেন, ওই আন্দোলনে সমাজের সব স্তরের মানুষ অংশ নিয়েছিলেন এবং শহীদের তালিকায় সাধারণ শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে রাজনৈতিক কর্মীরাও রয়েছেন। তদন্তে এখন পর্যন্ত যে সংখ্যাটি এসেছে, তা কেবল সংগ্রহ করা তথ্যের ভিত্তিতে।

তদন্তের খসড়া প্রতিবেদন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে প্রতিবেদনটি পর্যালোচনা করে কিছু সংশোধনের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। দু-একদিনের মধ্যে তাদের পর্যবেক্ষণ প্রসিকিউশনকে জানানো হবে। আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিবেদন দাখিল না হওয়া পর্যন্ত সব বিষয় উন্মুক্ত করা সম্ভব নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।