ঢাকা ০৭:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

শাপলা চত্বরের শহীদদের মরদেহ রাষ্ট্রীয়ভাবে গুমের চেষ্টা হয়েছিল: মামুনুল হক

২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশে নিহত অনেকের মরদেহ রাষ্ট্রীয়ভাবে গুম করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল বলে দাবি করেছেন সংগঠনটির যুগ্ম মহাসচিব আল্লামা মামুনুল হক। রোববার (তারিখ উল্লেখ নেই) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই গুরুতর অভিযোগ করেন। শাপলা চত্বরে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার তদন্ত প্রতিবেদনের অগ্রগতি জানতে হেফাজতের একটি প্রতিনিধি দল ট্রাইব্যুনালে এসেছিল।

মামুনুল হক বলেন, তদন্তে শুধুমাত্র নিহত যাদের তথ্য সংগ্রহ করা গেছে, তাদের সংখ্যাটি এসেছে। কিন্তু প্রথম থেকেই আমরা বলে আসছি যে, বহুসংখ্যক শহীদের কোনো হদিস মেলেনি, কারণ তৎকালীন সময়ে রাষ্ট্রীয়ভাবে তাদের মরদেহ গুম করার অপচেষ্টা হয়েছিল। ফলে অনেক শহীদের তথ্য এখানে আনার সুযোগ হয়নি।

তিনি আরও জানান, শাপলা চত্বরের মহাসমাবেশে সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নিয়েছিলেন। শিক্ষার্থী, শ্রমিকসহ তৎকালীন প্রায় সব বিরোধী ঘরানার রাজনৈতিক দলের কর্মীরাও শহীদদের তালিকায় রয়েছেন, কারণ আন্দোলনটি সার্বজনীন ছিল।

তদন্তের খসড়া প্রতিবেদন প্রসঙ্গে এই হেফাজত নেতা বলেন, তারা এখনো বিস্তারিত প্রতিবেদনটি দেখেননি। প্রাথমিকভাবে যতটুকু দেখেছেন, তাতে কিছু সংশোধন প্রয়োজন। তিনি জানান, তারা আরও পর্যালোচনা করে দু-একদিনের মধ্যেই প্রসিকিউশনকে সংশোধনের বিষয়গুলো জানাবেন এবং এরপরই সন্তুষ্টির মাত্রা সম্পর্কে বলতে পারবেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মামুনুল হক বলেন, মামলাটি তদন্তাধীন এবং আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিবেদন এখনো দাখিল হয়নি, তাই এ পর্যায়ে সব বিষয় উন্মুক্ত করা সম্ভব নয়। তবে তিনি মনে করেন, তাদের অভিযোগ অনুযায়ী এই খসড়া প্রতিবেদন অনেকটাই কাছাকাছি রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘আমি মাদক সম্রাট নই, ষড়যন্ত্রের শিকার’—সংবাদ সম্মেলনে কান্নায় ভেঙে পড়লেন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা

শাপলা চত্বরের শহীদদের মরদেহ রাষ্ট্রীয়ভাবে গুমের চেষ্টা হয়েছিল: মামুনুল হক

আপডেট সময় : ০৬:৩৭:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশে নিহত অনেকের মরদেহ রাষ্ট্রীয়ভাবে গুম করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল বলে দাবি করেছেন সংগঠনটির যুগ্ম মহাসচিব আল্লামা মামুনুল হক। রোববার (তারিখ উল্লেখ নেই) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই গুরুতর অভিযোগ করেন। শাপলা চত্বরে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার তদন্ত প্রতিবেদনের অগ্রগতি জানতে হেফাজতের একটি প্রতিনিধি দল ট্রাইব্যুনালে এসেছিল।

মামুনুল হক বলেন, তদন্তে শুধুমাত্র নিহত যাদের তথ্য সংগ্রহ করা গেছে, তাদের সংখ্যাটি এসেছে। কিন্তু প্রথম থেকেই আমরা বলে আসছি যে, বহুসংখ্যক শহীদের কোনো হদিস মেলেনি, কারণ তৎকালীন সময়ে রাষ্ট্রীয়ভাবে তাদের মরদেহ গুম করার অপচেষ্টা হয়েছিল। ফলে অনেক শহীদের তথ্য এখানে আনার সুযোগ হয়নি।

তিনি আরও জানান, শাপলা চত্বরের মহাসমাবেশে সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নিয়েছিলেন। শিক্ষার্থী, শ্রমিকসহ তৎকালীন প্রায় সব বিরোধী ঘরানার রাজনৈতিক দলের কর্মীরাও শহীদদের তালিকায় রয়েছেন, কারণ আন্দোলনটি সার্বজনীন ছিল।

তদন্তের খসড়া প্রতিবেদন প্রসঙ্গে এই হেফাজত নেতা বলেন, তারা এখনো বিস্তারিত প্রতিবেদনটি দেখেননি। প্রাথমিকভাবে যতটুকু দেখেছেন, তাতে কিছু সংশোধন প্রয়োজন। তিনি জানান, তারা আরও পর্যালোচনা করে দু-একদিনের মধ্যেই প্রসিকিউশনকে সংশোধনের বিষয়গুলো জানাবেন এবং এরপরই সন্তুষ্টির মাত্রা সম্পর্কে বলতে পারবেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মামুনুল হক বলেন, মামলাটি তদন্তাধীন এবং আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিবেদন এখনো দাখিল হয়নি, তাই এ পর্যায়ে সব বিষয় উন্মুক্ত করা সম্ভব নয়। তবে তিনি মনে করেন, তাদের অভিযোগ অনুযায়ী এই খসড়া প্রতিবেদন অনেকটাই কাছাকাছি রয়েছে।