বিশ্বকাপের শিরোপা জয়ের স্বপ্ন পূরণ না হলেও শেষ পর্যন্ত জয়ের হাসি নিয়ে মাঠ ছেড়েছে ইংল্যান্ড। সেমিফাইনালে স্পেনের কাছে হেরে ফাইনালের দৌড় থেকে ছিটকে পড়লেও তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ফ্রান্সকে ৬-৪ গোলে হারিয়ে নতুন এক ইতিহাস গড়েছে থ্রি লায়ন্সরা। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এবারই প্রথম তৃতীয় স্থান অর্জন করল টমাস টুখেলের শিষ্যরা।
ম্যাচ শেষে দলের এমন সাফল্যে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন কোচ টমাস টুখেল। তিনি জানান, সেমিফাইনালে হারের পর খেলোয়াড়দের মানসিকভাবে প্রস্তুত করা কঠিন ছিল। সবাই ফাইনাল খেলতে চেয়েছিল, কিন্তু সেই হতাশা কাটিয়ে মাঠে যে আগ্রাসন ও পেশাদারিত্ব তারা দেখিয়েছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। টুখেলের মতে, খেলোয়াড়দের এই মানসিক শক্তিই জয়ের মূল চাবিকাঠি হিসেবে কাজ করেছে।
ম্যাচের প্রথমার্ধেই ৪-০ গোলে এগিয়ে থেকে জয়ের ভিত গড়েছিল ইংল্যান্ড। তবে বিরতির পর কিছুটা ছন্দপতন ঘটে এবং ফ্রান্স দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে ৪ গোল শোধ করে দেয়। শেষ দিকে আবারও নিজেদের গুছিয়ে নিয়ে আরও দুই গোল করে জয় নিশ্চিত করে ইংল্যান্ড। টুখেল স্বীকার করেছেন যে, দ্বিতীয়ার্ধে কিছু ভুলের কারণে ম্যাচটি কঠিন হয়ে পড়েছিল, তবে চাপের মুখে ভেঙে না পড়ে পাল্টা জবাব দেওয়ার ক্ষমতা তাকে মুগ্ধ করেছে।
ইংল্যান্ডের এই ঐতিহাসিক জয়ে বুকায়ো সাকার হ্যাটট্রিক এবং জুড বেলিংহামের গোল বড় ভূমিকা রেখেছে। ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের পাশাপাশি পুরো দলের সম্মিলিত প্রচেষ্টাকেই বড় করে দেখছেন কোচ। তিনি মনে করেন, এই জয় দলের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে এবং ভবিষ্যতে আরও বড় অর্জনের পথে অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।
রিপোর্টারের নাম 





















