ঢাকা ১১:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

গণভবনে হাসিনাকে সমর্থনকারী শিক্ষক এবার জবির ডিন, ক্ষোভে উত্তাল ক্যাম্পাস

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সামাজিকবিজ্ঞান অনুষদের নতুন ডিন হিসেবে অধ্যাপক ড. আইনুল ইসলামকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। জুলাই বিপ্লবের উত্তাল সময়ে যখন ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচারে গুলি চালানো হচ্ছিল, তখন গণভবনে গিয়ে শেখ হাসিনাকে সমর্থন ও আন্দোলন দমনের পরামর্শ দেওয়ার অভিযোগে তিনি অভিযুক্ত। ফ্যাসিবাদের দোসর হিসেবে পরিচিত এই শিক্ষককে গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানোয় সাধারণ শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।

তদন্ত প্রতিবেদন ও বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৩ আগস্ট তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সাথে বৈঠকে জবির নীল দলের একাংশের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ড. আইনুল। এছাড়া অতীতেও তার বিরুদ্ধে নৈতিক স্খলন, শিক্ষার্থীদের শিবির ট্যাগ দিয়ে পুলিশে ধরিয়ে দেওয়া এবং সরকার পতনের পর গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক নথি গায়েব করার চেষ্টার মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। এমন বিতর্কিত একজন ব্যক্তিকে ডিন হিসেবে নিয়োগের সিদ্ধান্তকে ক্যাম্পাসের সাধারণ শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তির জন্য হুমকি হিসেবে দেখছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতের কাছে শেখ হাসিনা কি কেবল আশ্রয়প্রার্থী, নাকি কৌশলগত সম্পদ?

গণভবনে হাসিনাকে সমর্থনকারী শিক্ষক এবার জবির ডিন, ক্ষোভে উত্তাল ক্যাম্পাস

আপডেট সময় : ১০:৪৩:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সামাজিকবিজ্ঞান অনুষদের নতুন ডিন হিসেবে অধ্যাপক ড. আইনুল ইসলামকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। জুলাই বিপ্লবের উত্তাল সময়ে যখন ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচারে গুলি চালানো হচ্ছিল, তখন গণভবনে গিয়ে শেখ হাসিনাকে সমর্থন ও আন্দোলন দমনের পরামর্শ দেওয়ার অভিযোগে তিনি অভিযুক্ত। ফ্যাসিবাদের দোসর হিসেবে পরিচিত এই শিক্ষককে গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানোয় সাধারণ শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।

তদন্ত প্রতিবেদন ও বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৩ আগস্ট তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সাথে বৈঠকে জবির নীল দলের একাংশের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ড. আইনুল। এছাড়া অতীতেও তার বিরুদ্ধে নৈতিক স্খলন, শিক্ষার্থীদের শিবির ট্যাগ দিয়ে পুলিশে ধরিয়ে দেওয়া এবং সরকার পতনের পর গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক নথি গায়েব করার চেষ্টার মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। এমন বিতর্কিত একজন ব্যক্তিকে ডিন হিসেবে নিয়োগের সিদ্ধান্তকে ক্যাম্পাসের সাধারণ শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তির জন্য হুমকি হিসেবে দেখছেন।