ঢাকা ০২:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

মহাকাশের গভীরে মিলল প্রাণের আধার ‘চিনি’, রহস্য উন্মোচনে বিজ্ঞানীদের নতুন আশা

মহাকাশের অসীম শূন্যতায় প্রথমবারের মতো চিনির অণুর অস্তিত্ব শনাক্ত করেছেন বিজ্ঞানীরা। মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির আন্তঃনাক্ষত্রিক অঞ্চলে ধূলিকণা ও গ্যাসের স্তূপের মাঝে এই অণুর সন্ধান পাওয়া গেছে। বিজ্ঞান বিষয়ক সাময়িকী ‘নেচার অ্যাস্ট্রোনমি’-তে প্রকাশিত এই গবেষণাটি প্রাণের উৎপত্তির রহস্য সমাধানে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। স্পেনের সেন্টার ফর অ্যাস্ট্রোবায়োলজির অ্যাস্ট্রোকেমিস্ট ড. ইজাসকুন জিমেনেজ-সেরার নেতৃত্বে পরিচালিত এই গবেষণায় দীর্ঘদিনের জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটল।

বিজ্ঞানীদের মতে, পৃথিবীর প্রাণ বিকাশে আরএনএ ও ডিএনএ গঠনে চিনির ভূমিকা অনস্বীকার্য। এর আগে বিভিন্ন উল্কাপিণ্ডে চিনির অস্তিত্ব পাওয়া গেলেও সেগুলোর মূল উৎস নিয়ে সংশয় ছিল। তবে নতুন এই আবিষ্কার থেকে প্রতীয়মান হয় যে, নক্ষত্র বা গ্রহ সৃষ্টির অনেক আগেই আন্তঃনাক্ষত্রিক পরিবেশে এসব জটিল জৈব অণু তৈরি হয়। গবেষকদের ধারণা, মহাজাগতিক বস্তু বা ধূমকেতুর মাধ্যমে কোটি কোটি বছর আগে পৃথিবীতে এই চিনি পৌঁছে থাকতে পারে, যা আদি পৃথিবীতে প্রাণের সঞ্চারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মহাকাশের গভীরে মিলল প্রাণের আধার ‘চিনি’, রহস্য উন্মোচনে বিজ্ঞানীদের নতুন আশা

মহাকাশের গভীরে মিলল প্রাণের আধার ‘চিনি’, রহস্য উন্মোচনে বিজ্ঞানীদের নতুন আশা

আপডেট সময় : ০১:২৯:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

মহাকাশের অসীম শূন্যতায় প্রথমবারের মতো চিনির অণুর অস্তিত্ব শনাক্ত করেছেন বিজ্ঞানীরা। মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির আন্তঃনাক্ষত্রিক অঞ্চলে ধূলিকণা ও গ্যাসের স্তূপের মাঝে এই অণুর সন্ধান পাওয়া গেছে। বিজ্ঞান বিষয়ক সাময়িকী ‘নেচার অ্যাস্ট্রোনমি’-তে প্রকাশিত এই গবেষণাটি প্রাণের উৎপত্তির রহস্য সমাধানে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। স্পেনের সেন্টার ফর অ্যাস্ট্রোবায়োলজির অ্যাস্ট্রোকেমিস্ট ড. ইজাসকুন জিমেনেজ-সেরার নেতৃত্বে পরিচালিত এই গবেষণায় দীর্ঘদিনের জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটল।

বিজ্ঞানীদের মতে, পৃথিবীর প্রাণ বিকাশে আরএনএ ও ডিএনএ গঠনে চিনির ভূমিকা অনস্বীকার্য। এর আগে বিভিন্ন উল্কাপিণ্ডে চিনির অস্তিত্ব পাওয়া গেলেও সেগুলোর মূল উৎস নিয়ে সংশয় ছিল। তবে নতুন এই আবিষ্কার থেকে প্রতীয়মান হয় যে, নক্ষত্র বা গ্রহ সৃষ্টির অনেক আগেই আন্তঃনাক্ষত্রিক পরিবেশে এসব জটিল জৈব অণু তৈরি হয়। গবেষকদের ধারণা, মহাজাগতিক বস্তু বা ধূমকেতুর মাধ্যমে কোটি কোটি বছর আগে পৃথিবীতে এই চিনি পৌঁছে থাকতে পারে, যা আদি পৃথিবীতে প্রাণের সঞ্চারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।