ঢাকা ১১:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

দীর্ঘ ৮ বছরের অপেক্ষা শেষ: গতি ফিরল চাঁদপুর মেডিকেল কলেজ প্রকল্প কাজে

দীর্ঘ আট বছর ধরে প্রশাসনিক জটিলতা ও ভূমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত সমস্যায় থমকে থাকার পর অবশেষে আলোর মুখ দেখছে চাঁদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও নার্সিং কলেজ স্থাপন প্রকল্প। রোববার চাঁদপুর সদরের বাগাদী ইউনিয়নের ইসলামপুর গাছতলা এলাকায় এই প্রকল্পের অবকাঠামো উন্নয়ন কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। স্থানীয় সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক এই উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করেন।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ইসলামপুর গাছতলা মৌজায় প্রায় ৩০ দশমিক ২ একর জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া বর্তমানে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। আগামী তিন মাসের মধ্যে জমির মালিকদের পাওনা ক্ষতিপূরণ পরিশোধ করা সম্ভব হবে এবং এরপরই শুরু হবে মূল ভবন নির্মাণের কাজ। সংসদ সদস্য জানান, বর্তমান সরকারের স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়ার নীতির ফলেই এই প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে। তিনি ভূমি মালিকদের আশ্বস্ত করে বলেন, কোনো মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই সরাসরি জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে জমির শতভাগ ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে পানিবন্দি মানুষের পাশে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী, ত্রাণ বিতরণ ও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন

দীর্ঘ ৮ বছরের অপেক্ষা শেষ: গতি ফিরল চাঁদপুর মেডিকেল কলেজ প্রকল্প কাজে

আপডেট সময় : ০৯:৪৫:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

দীর্ঘ আট বছর ধরে প্রশাসনিক জটিলতা ও ভূমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত সমস্যায় থমকে থাকার পর অবশেষে আলোর মুখ দেখছে চাঁদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও নার্সিং কলেজ স্থাপন প্রকল্প। রোববার চাঁদপুর সদরের বাগাদী ইউনিয়নের ইসলামপুর গাছতলা এলাকায় এই প্রকল্পের অবকাঠামো উন্নয়ন কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। স্থানীয় সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক এই উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করেন।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ইসলামপুর গাছতলা মৌজায় প্রায় ৩০ দশমিক ২ একর জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া বর্তমানে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। আগামী তিন মাসের মধ্যে জমির মালিকদের পাওনা ক্ষতিপূরণ পরিশোধ করা সম্ভব হবে এবং এরপরই শুরু হবে মূল ভবন নির্মাণের কাজ। সংসদ সদস্য জানান, বর্তমান সরকারের স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়ার নীতির ফলেই এই প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে। তিনি ভূমি মালিকদের আশ্বস্ত করে বলেন, কোনো মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই সরাসরি জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে জমির শতভাগ ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা হবে।