ঢাকা ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬

এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি জাতীয়করণের দাবি ‘সচেতন শিক্ষক সমাজের’

দেশের সকল এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি জাতীয়করণ এবং তাদের ৯ম জাতীয় পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছে ‘সচেতন শিক্ষক সমাজ’ নামের একটি সংগঠন। বৈষম্য নিরসনের লক্ষ্যে মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি উত্থাপন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে তাদের অন্যান্য দাবির মধ্যে ছিল, এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে সরকারি শিক্ষকদের প্রেষণে নিয়োগ বন্ধ করা; শিক্ষা মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর, শিক্ষাবোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত কর্মকর্তাদের অপসারণ; স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের অংশগ্রহণে বাধা সৃষ্টি না করা; শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরির বয়স ৬৫ বছরে উন্নীতকরণ; এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের দ্রুত বদলির ব্যবস্থা করা; শতভাগ উৎসব ভাতার ব্যবস্থা ও সরকারি নিয়মে বাড়ি ভাড়া দেওয়া এবং কল্যাণ ও অবসর বোর্ডের টাকা দ্রুত পরিশোধের দাবি।

বক্তারা বলেন, সরকার যেখানে ‘শিক্ষার জন্য ব্যয় অপচয় নয়, বরং উত্তম বিনিয়োগ’ নীতিতে বিশ্বাসী, সেখানে শিক্ষার বৈষম্য নিরসনে জিডিপির ৫ শতাংশ (মোট বাজেটের ২০ শতাংশ) বিনিয়োগ করা উচিত। তারা আরও বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আয় সরকারের কোষাগারে জমা নিলে এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করলে অনায়াসেই এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি জাতীয়করণ সম্ভব। দাবিগুলো পূরণ না হলে সারা দেশের দলমত নির্বিশেষে শিক্ষক-কর্মচারীদের নিয়ে সংগ্রাম কমিটি গঠন করে বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দেন তারা। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সচেতন শিক্ষক সমাজ আহ্বায়ক অধ্যাপক আব্দুল আউয়াল, সদস্য সচিব অধ্যাপক আব্দুল হাকিমসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে মিসরকে হারিয়ে বিশ্বকাপ ফুটবলের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা

এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি জাতীয়করণের দাবি ‘সচেতন শিক্ষক সমাজের’

আপডেট সময় : ১০:১৫:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

দেশের সকল এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি জাতীয়করণ এবং তাদের ৯ম জাতীয় পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছে ‘সচেতন শিক্ষক সমাজ’ নামের একটি সংগঠন। বৈষম্য নিরসনের লক্ষ্যে মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি উত্থাপন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে তাদের অন্যান্য দাবির মধ্যে ছিল, এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে সরকারি শিক্ষকদের প্রেষণে নিয়োগ বন্ধ করা; শিক্ষা মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর, শিক্ষাবোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত কর্মকর্তাদের অপসারণ; স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের অংশগ্রহণে বাধা সৃষ্টি না করা; শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরির বয়স ৬৫ বছরে উন্নীতকরণ; এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের দ্রুত বদলির ব্যবস্থা করা; শতভাগ উৎসব ভাতার ব্যবস্থা ও সরকারি নিয়মে বাড়ি ভাড়া দেওয়া এবং কল্যাণ ও অবসর বোর্ডের টাকা দ্রুত পরিশোধের দাবি।

বক্তারা বলেন, সরকার যেখানে ‘শিক্ষার জন্য ব্যয় অপচয় নয়, বরং উত্তম বিনিয়োগ’ নীতিতে বিশ্বাসী, সেখানে শিক্ষার বৈষম্য নিরসনে জিডিপির ৫ শতাংশ (মোট বাজেটের ২০ শতাংশ) বিনিয়োগ করা উচিত। তারা আরও বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আয় সরকারের কোষাগারে জমা নিলে এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করলে অনায়াসেই এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি জাতীয়করণ সম্ভব। দাবিগুলো পূরণ না হলে সারা দেশের দলমত নির্বিশেষে শিক্ষক-কর্মচারীদের নিয়ে সংগ্রাম কমিটি গঠন করে বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দেন তারা। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সচেতন শিক্ষক সমাজ আহ্বায়ক অধ্যাপক আব্দুল আউয়াল, সদস্য সচিব অধ্যাপক আব্দুল হাকিমসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।