ঢাকা ০৫:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬

টানা বৃষ্টিতে সাঙ্গুর পানি বৃদ্ধি: নাফাখুমে আটকা পড়েছেন ৬৯ পর্যটক

বান্দরবানের থানচি উপজেলার দুর্গম নাফাখুম জলপ্রপাত এলাকায় বেড়াতে গিয়ে সাঙ্গু নদের পানি বেড়ে যাওয়ায় ৬৯ জন পর্যটক আটকা পড়েছেন। গত কয়েকদিনের টানা বর্ষণে পাহাড়ি ঢল ও নদের পানি বিপদসীমা অতিক্রম করায় পর্যটকরা মূল সদরে ফিরতে পারছেন না। বিশেষ করে পদ্ম ঝিরি, রাজা পাতর ও রেমাক্রি এলাকায় তারা আটকা পড়ে আছেন।

পর্যটকদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনতে ইতোমধ্যে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেছে স্থানীয় পর্যটক গাইড কল্যাণ সমিতি। পাঁচটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা নিয়ে গাইডরা দুর্গম এলাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। এদিকে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে উপজেলা প্রশাসন এক জরুরি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সব পর্যটন কেন্দ্র, পাহাড়ি ট্রেইল ও নদীপথে পর্যটকদের ভ্রমণ সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।

আটকা পড়া পর্যটকদের মধ্যে কয়েকজন জানান, পানির তীব্র স্রোতের কারণে তারা সময়মতো ফিরতে পারেননি। তবে স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা ও গাইডদের সহায়তায় তাদের উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। বর্ষায় পাহাড়ের নদী ও ঝরনাগুলো বিপজ্জনক হয়ে ওঠায় পর্যটকদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গোপালগঞ্জে শিশু মাহফুজ হত্যা মামলা: ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড ও ২ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

টানা বৃষ্টিতে সাঙ্গুর পানি বৃদ্ধি: নাফাখুমে আটকা পড়েছেন ৬৯ পর্যটক

আপডেট সময় : ০৪:৩২:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

বান্দরবানের থানচি উপজেলার দুর্গম নাফাখুম জলপ্রপাত এলাকায় বেড়াতে গিয়ে সাঙ্গু নদের পানি বেড়ে যাওয়ায় ৬৯ জন পর্যটক আটকা পড়েছেন। গত কয়েকদিনের টানা বর্ষণে পাহাড়ি ঢল ও নদের পানি বিপদসীমা অতিক্রম করায় পর্যটকরা মূল সদরে ফিরতে পারছেন না। বিশেষ করে পদ্ম ঝিরি, রাজা পাতর ও রেমাক্রি এলাকায় তারা আটকা পড়ে আছেন।

পর্যটকদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনতে ইতোমধ্যে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেছে স্থানীয় পর্যটক গাইড কল্যাণ সমিতি। পাঁচটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা নিয়ে গাইডরা দুর্গম এলাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। এদিকে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে উপজেলা প্রশাসন এক জরুরি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সব পর্যটন কেন্দ্র, পাহাড়ি ট্রেইল ও নদীপথে পর্যটকদের ভ্রমণ সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।

আটকা পড়া পর্যটকদের মধ্যে কয়েকজন জানান, পানির তীব্র স্রোতের কারণে তারা সময়মতো ফিরতে পারেননি। তবে স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা ও গাইডদের সহায়তায় তাদের উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। বর্ষায় পাহাড়ের নদী ও ঝরনাগুলো বিপজ্জনক হয়ে ওঠায় পর্যটকদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।