ঢাকা ০৮:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬

পাহাড়ি ঢল ও অতিবৃষ্টিতে ফুসছে সাঙ্গু নদী, থানচির নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

বান্দরবানের থানচি উপজেলায় টানা কয়েকদিনের প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সাঙ্গু নদীর পানি অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও বিভিন্ন গ্রাম প্লাবিত হয়ে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। আকস্মিক এই বন্যায় তলিয়ে গেছে বিস্তীর্ণ কৃষিজমি ও অসংখ্য মৎস্য খামার, ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।

স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, সাঙ্গু নদী বর্তমানে অত্যন্ত উত্তাল অবস্থায় রয়েছে। পাহাড় থেকে নেমে আসা ঢল ও ঝিরি-ঝরনার পানিতে নদীর স্তর বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়ায় নৌ-চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। উল্লেখ্য, থানচির বিভিন্ন ইউনিয়নের সঙ্গে সদর উপজেলার যোগাযোগের প্রধান মাধ্যমই হলো এই নদীপথ।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। নদীপাড় ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে মাইকিং করা হচ্ছে। এদিকে, প্রবল বৃষ্টিতে থানচি–বান্দরবান নীলগিরি সড়কের আর্মি ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকায় পাহাড় ধসে যোগাযোগ সাময়িকভাবে বিচ্ছিন্ন হলেও প্রশাসনের তৎপরতায় তা দ্রুত স্বাভাবিক করা হয়েছে।

উপজেলার পর্যটনকেন্দ্র রাজা পাথর এলাকায় একটি পর্যটকবাহী নৌকা ডুবির ঘটনা ঘটলেও কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। আবহাওয়া পরিস্থিতি অপরিবর্তিত থাকলে এবং বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে রুমা, থানচি ও রোয়াংছড়ি উপজেলার নিম্নাঞ্চল নতুন করে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার মানোন্নয়নে কঠোর নজরদারি ও সিসিটিভি স্থাপনের নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর

পাহাড়ি ঢল ও অতিবৃষ্টিতে ফুসছে সাঙ্গু নদী, থানচির নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

আপডেট সময় : ০৭:৪৮:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

বান্দরবানের থানচি উপজেলায় টানা কয়েকদিনের প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সাঙ্গু নদীর পানি অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও বিভিন্ন গ্রাম প্লাবিত হয়ে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। আকস্মিক এই বন্যায় তলিয়ে গেছে বিস্তীর্ণ কৃষিজমি ও অসংখ্য মৎস্য খামার, ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।

স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, সাঙ্গু নদী বর্তমানে অত্যন্ত উত্তাল অবস্থায় রয়েছে। পাহাড় থেকে নেমে আসা ঢল ও ঝিরি-ঝরনার পানিতে নদীর স্তর বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়ায় নৌ-চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। উল্লেখ্য, থানচির বিভিন্ন ইউনিয়নের সঙ্গে সদর উপজেলার যোগাযোগের প্রধান মাধ্যমই হলো এই নদীপথ।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। নদীপাড় ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে মাইকিং করা হচ্ছে। এদিকে, প্রবল বৃষ্টিতে থানচি–বান্দরবান নীলগিরি সড়কের আর্মি ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকায় পাহাড় ধসে যোগাযোগ সাময়িকভাবে বিচ্ছিন্ন হলেও প্রশাসনের তৎপরতায় তা দ্রুত স্বাভাবিক করা হয়েছে।

উপজেলার পর্যটনকেন্দ্র রাজা পাথর এলাকায় একটি পর্যটকবাহী নৌকা ডুবির ঘটনা ঘটলেও কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। আবহাওয়া পরিস্থিতি অপরিবর্তিত থাকলে এবং বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে রুমা, থানচি ও রোয়াংছড়ি উপজেলার নিম্নাঞ্চল নতুন করে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।