দেশের পৃথক চারটি জেলায় ধর্ষণ ও ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ৯ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং ২ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এর মধ্যে জামালপুরে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের দায়ে সাতজন, খাগড়াছড়িতে মাদরাসাছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় একজন এবং নোয়াখালীতে এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে একজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, শরীয়তপুরে এক ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় হাইকোর্ট দুজনকে যাবজ্জীবন এবং দুজনকে খালাস দিয়েছেন।
জামালপুরের বকশীগঞ্জে এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের লোমহর্ষক ঘটনায় সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক আব্দুর রহিম। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—পাপ্পু, বিজু, বাদশা, জুয়েল, আশরাফুল, জসিম ও আসমত। মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি তাদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ডও করা হয়েছে। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ইদ্রিস আলী নামে একজনকে মামলা থেকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
খাগড়াছড়িতে দ্বিতীয় শ্রেণির এক মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় আসামি শাহাদাত হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল। ট্রাইব্যুনাল গঠনের পর এটিই প্রথম রায়, যা ঘটনার মাত্র ১১ মাস ১৪ দিনের মাথায় ঘোষণা করা হলো। দ্রুততম সময়ে বিচার সম্পন্ন হওয়ায় ভুক্তভোগী পরিবার সন্তোষ প্রকাশ করেছে। প্রসিকিউশন পক্ষ এই রায়কে অপরাধ দমনে একটি অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করেছে।
নোয়াখালীর চাটখিলে আসমা আক্তার নামে এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে তার জেঠাতো ভাই শাহাদাত হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার দুপুরে জেলার বিশেষ শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ফারজানা আক্তার এই রায় ঘোষণা করেন। রাষ্ট্রপক্ষ জানিয়েছে, এই রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
এদিকে শরীয়তপুরে এক ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় নিম্ন আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের সাজা বাতিল করে দুজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে এ ঘটনায় জড়িত থাকার পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ না পাওয়ায় অন্য দুজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। বিচারপতিদের একটি দ্বৈত বেঞ্চ এই রায় প্রদান করেন।
রিপোর্টারের নাম 




















