ঢাকা ০৭:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬

কুতুবদিয়ায় ভারী বর্ষণে সেতু ধসে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, দুর্ভোগে দুই ইউনিয়নের মানুষ

কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় টানা দুই দিনের ভারী বৃষ্টিপাতে লেমশীখালী ইউনিয়নের শাহজির পাড়া এলাকার একটি পুরনো সংযোগ সেতুর একাংশ ধসে পড়েছে। সোমবার সকালে এই দুর্ঘটনার ফলে লেমশীখালী ও কৈয়ারবিল ইউনিয়নের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এর ফলে দুই ইউনিয়নের কয়েক হাজার মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ থাকা এই সেতুটি ধসে পড়ায় ওই এলাকার সাধারণ মানুষের যাতায়াত এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রায় দুই দশক আগে নির্মিত এই সেতুটি অনেক দিন ধরেই জরাজীর্ণ অবস্থায় ছিল। ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় মানুষ পায়ে হেঁটেই পারাপার হতো। কিন্তু সোমবার সকালে বৃষ্টির চাপে সেতুর এক পাশ ধসে যাওয়ায় এখন পায়ে হাঁটাও অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ছিল এখানে একটি নতুন সেতু নির্মাণের, কিন্তু তা বাস্তবায়ন না হওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

লেমশীখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আকতার হোসেন জানান, ঝুঁকিপূর্ণ সেতুটি সংস্কার বা পুনর্নির্মাণের জন্য একাধিকবার আবেদন করা হলেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। উপজেলা প্রকৌশলী আবুস উদ্দিন জানিয়েছেন, ধসে পড়া সেতুর পাশে একটি নতুন সেতু নির্মাণের প্রস্তাবনা আগেই পাঠানো হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতি এবং জরুরি সংস্কারের প্রয়োজনীয় তথ্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে যাতে দ্রুত সমস্যার সমাধান করা যায়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মূল্যস্ফীতিতে কিছুটা স্বস্তি: জুনে কমে দাঁড়িয়েছে ৯.১৬ শতাংশে

কুতুবদিয়ায় ভারী বর্ষণে সেতু ধসে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, দুর্ভোগে দুই ইউনিয়নের মানুষ

আপডেট সময় : ০৫:২১:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় টানা দুই দিনের ভারী বৃষ্টিপাতে লেমশীখালী ইউনিয়নের শাহজির পাড়া এলাকার একটি পুরনো সংযোগ সেতুর একাংশ ধসে পড়েছে। সোমবার সকালে এই দুর্ঘটনার ফলে লেমশীখালী ও কৈয়ারবিল ইউনিয়নের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এর ফলে দুই ইউনিয়নের কয়েক হাজার মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ থাকা এই সেতুটি ধসে পড়ায় ওই এলাকার সাধারণ মানুষের যাতায়াত এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রায় দুই দশক আগে নির্মিত এই সেতুটি অনেক দিন ধরেই জরাজীর্ণ অবস্থায় ছিল। ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় মানুষ পায়ে হেঁটেই পারাপার হতো। কিন্তু সোমবার সকালে বৃষ্টির চাপে সেতুর এক পাশ ধসে যাওয়ায় এখন পায়ে হাঁটাও অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ছিল এখানে একটি নতুন সেতু নির্মাণের, কিন্তু তা বাস্তবায়ন না হওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

লেমশীখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আকতার হোসেন জানান, ঝুঁকিপূর্ণ সেতুটি সংস্কার বা পুনর্নির্মাণের জন্য একাধিকবার আবেদন করা হলেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। উপজেলা প্রকৌশলী আবুস উদ্দিন জানিয়েছেন, ধসে পড়া সেতুর পাশে একটি নতুন সেতু নির্মাণের প্রস্তাবনা আগেই পাঠানো হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতি এবং জরুরি সংস্কারের প্রয়োজনীয় তথ্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে যাতে দ্রুত সমস্যার সমাধান করা যায়।