ঢাকা ০৯:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬

খামেনির শেষ বিদায়ে তেহরানে লাখো মানুষের ঢল: অতিথিদের জন্য বিশাল খাবারের আয়োজন

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে অংশ নিতে তেহরানে দেশ-বিদেশ থেকে লাখ লাখ মানুষ সমবেত হয়েছেন। এই বিশাল শোকযাত্রায় অংশ নেওয়া সকল অতিথির জন্য ইরান সরকার ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের পক্ষ থেকে ব্যাপক খাবারের আয়োজন করা হয়েছে। তেহরানের বিভিন্ন সড়ক, শোক শোভাযাত্রার পথ এবং অনুষ্ঠানস্থলের আশপাশে অসংখ্য স্বেচ্ছাসেবী ও দাতব্য প্রতিষ্ঠান বিনামূল্যে খাবার, পানীয় ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সেবা বিতরণ করছে।

অনুষ্ঠানে আগত মানুষের সুবিধার্থে বিভিন্ন স্থানে অস্থায়ী সেবাকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে ঠান্ডা পানি, চা, জুস, রুটি, ভাত, মাংসসহ বিভিন্ন ধরনের খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে। অনেক ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, হোসেইনিয়া এবং সাধারণ মানুষও ব্যক্তিগত উদ্যোগে ‘নাজরি’ (মানত) হিসেবে খাবার পরিবেশন করছেন, যা এই শোকানুষ্ঠানের একটি বিশেষ দিক।

স্বেচ্ছাসেবীরা জানিয়েছেন, দীর্ঘ সময় ধরে শোকযাত্রায় অংশ নেওয়া মানুষের কষ্ট লাঘবে সার্বক্ষণিকভাবে খাবার ও বিশুদ্ধ পানীয় সরবরাহ নিশ্চিত করা হচ্ছে। পাশাপাশি, প্রয়োজনে প্রাথমিক চিকিৎসা, বিশ্রামাগার এবং পথনির্দেশনার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে, যাতে দূর-দূরান্ত থেকে আসা মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যে শোক প্রকাশ করতে পারেন।

খামেনির শেষ বিদায় উপলক্ষে আয়োজিত কয়েক দিনব্যাপী এই রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠানে ইরানের শীর্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক নেতাদের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরাও অংশ নিয়েছেন, যা এই আয়োজনের গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রাম বোর্ডে এইচএসসির ইংরেজি পরীক্ষায় অনুপস্থিত ২ সহস্রাধিক শিক্ষার্থী, বহিষ্কার ৩

খামেনির শেষ বিদায়ে তেহরানে লাখো মানুষের ঢল: অতিথিদের জন্য বিশাল খাবারের আয়োজন

আপডেট সময় : ০৮:৫৪:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে অংশ নিতে তেহরানে দেশ-বিদেশ থেকে লাখ লাখ মানুষ সমবেত হয়েছেন। এই বিশাল শোকযাত্রায় অংশ নেওয়া সকল অতিথির জন্য ইরান সরকার ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের পক্ষ থেকে ব্যাপক খাবারের আয়োজন করা হয়েছে। তেহরানের বিভিন্ন সড়ক, শোক শোভাযাত্রার পথ এবং অনুষ্ঠানস্থলের আশপাশে অসংখ্য স্বেচ্ছাসেবী ও দাতব্য প্রতিষ্ঠান বিনামূল্যে খাবার, পানীয় ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সেবা বিতরণ করছে।

অনুষ্ঠানে আগত মানুষের সুবিধার্থে বিভিন্ন স্থানে অস্থায়ী সেবাকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে ঠান্ডা পানি, চা, জুস, রুটি, ভাত, মাংসসহ বিভিন্ন ধরনের খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে। অনেক ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, হোসেইনিয়া এবং সাধারণ মানুষও ব্যক্তিগত উদ্যোগে ‘নাজরি’ (মানত) হিসেবে খাবার পরিবেশন করছেন, যা এই শোকানুষ্ঠানের একটি বিশেষ দিক।

স্বেচ্ছাসেবীরা জানিয়েছেন, দীর্ঘ সময় ধরে শোকযাত্রায় অংশ নেওয়া মানুষের কষ্ট লাঘবে সার্বক্ষণিকভাবে খাবার ও বিশুদ্ধ পানীয় সরবরাহ নিশ্চিত করা হচ্ছে। পাশাপাশি, প্রয়োজনে প্রাথমিক চিকিৎসা, বিশ্রামাগার এবং পথনির্দেশনার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে, যাতে দূর-দূরান্ত থেকে আসা মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যে শোক প্রকাশ করতে পারেন।

খামেনির শেষ বিদায় উপলক্ষে আয়োজিত কয়েক দিনব্যাপী এই রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠানে ইরানের শীর্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক নেতাদের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরাও অংশ নিয়েছেন, যা এই আয়োজনের গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে তুলেছে।