ঢাকা ০৯:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬

মৃত্যুর ৫ মাস পর কবর থেকে তোলা হলো বিএনপি নেতা কচির মরদেহ

খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ মহিবুজ্জামান কচির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে আদালতের নির্দেশে তার মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। মৃত্যুর দীর্ঘ পাঁচ মাস পর সোমবার দুপুরে মহানগরীর টুটপাড়া কবরস্থান থেকে লাশটি তুলে পুনরায় ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।

পিবিআই-এর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে খুলনা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুস সাকিবের উপস্থিতিতে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। গত ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন খুলনা আলিয়া কামিল মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালনকালে কচির মৃত্যু হয়েছিল। তিনি ওই কেন্দ্রে বিএনপি প্রার্থীর নির্বাচনি এজেন্ট হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, নির্বাচনের দিন কেন্দ্রে ভোটারদের চাপ দেওয়ার প্রতিবাদ করায় প্রতিপক্ষের হামলার শিকার হন কচি। অভিযোগ রয়েছে, তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ তাকে ধাক্কা দিলে তিনি গাছের সঙ্গে প্রচণ্ড আঘাত পান এবং পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। তৎকালীন সময়ে এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল। হৃদরোগে মৃত্যুর দাবি করা হলেও পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়, যার পরিপ্রেক্ষিতে এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে পাহাড়ধসে ৯ জনের মৃত্যুতে জামায়াতের গভীর শোক ও সমবেদনা

মৃত্যুর ৫ মাস পর কবর থেকে তোলা হলো বিএনপি নেতা কচির মরদেহ

আপডেট সময় : ০৭:৪৮:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ মহিবুজ্জামান কচির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে আদালতের নির্দেশে তার মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। মৃত্যুর দীর্ঘ পাঁচ মাস পর সোমবার দুপুরে মহানগরীর টুটপাড়া কবরস্থান থেকে লাশটি তুলে পুনরায় ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।

পিবিআই-এর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে খুলনা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুস সাকিবের উপস্থিতিতে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। গত ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন খুলনা আলিয়া কামিল মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালনকালে কচির মৃত্যু হয়েছিল। তিনি ওই কেন্দ্রে বিএনপি প্রার্থীর নির্বাচনি এজেন্ট হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, নির্বাচনের দিন কেন্দ্রে ভোটারদের চাপ দেওয়ার প্রতিবাদ করায় প্রতিপক্ষের হামলার শিকার হন কচি। অভিযোগ রয়েছে, তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ তাকে ধাক্কা দিলে তিনি গাছের সঙ্গে প্রচণ্ড আঘাত পান এবং পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। তৎকালীন সময়ে এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল। হৃদরোগে মৃত্যুর দাবি করা হলেও পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়, যার পরিপ্রেক্ষিতে এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।