ঢাকা ০৭:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬

মেলোনিকে নিয়ে ট্রাম্পের বিদ্রূপাত্মক পোস্ট, নতুন কূটনৈতিক টানাপোড়েনের শঙ্কা

ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চলমান বিরোধ এক নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে। সম্প্রতি নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ মেলোনির একটি সম্পাদিত ছবি পোস্ট করে ট্রাম্প মন্তব্য করেন যে, তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা বা নিষেধাজ্ঞামূলক আদেশ প্রয়োজন। এই ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটল যখন তুরস্কের আসন্ন ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে দুই নেতার মুখোমুখি হওয়ার কথা রয়েছে।

বিরোধের সূত্রপাত মূলত গত সপ্তাহের জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনকে কেন্দ্র করে। ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে, মেলোনি বারবার তার সঙ্গে ছবি তোলার অনুরোধ জানিয়েছিলেন। তবে ইতালীয় প্রধানমন্ত্রী এই দাবিকে ‘পুরোপুরি ভিত্তিহীন ও মনগড়া’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, তিনি কোনো চাপের কাছে মাথা নত করবেন না এবং ইতালির স্বার্থ রক্ষায় সবসময় সোজাসাপ্টা কথা বলবেন।

এই উত্তেজনার প্রভাব পড়েছে কূটনৈতিক পর্যায়েও। ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তোনিও তাজানি তার পূর্বনির্ধারিত ওয়াশিংটন সফর বাতিল করেছেন বলে জানা গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপে ইতালির অসম্মতি এই তিক্ততাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের এই প্রকাশ্য বিরোধ আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মূল্যস্ফীতিতে কিছুটা স্বস্তি: জুনে কমে দাঁড়িয়েছে ৯.১৬ শতাংশে

মেলোনিকে নিয়ে ট্রাম্পের বিদ্রূপাত্মক পোস্ট, নতুন কূটনৈতিক টানাপোড়েনের শঙ্কা

আপডেট সময় : ০৬:৩৬:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চলমান বিরোধ এক নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে। সম্প্রতি নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ মেলোনির একটি সম্পাদিত ছবি পোস্ট করে ট্রাম্প মন্তব্য করেন যে, তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা বা নিষেধাজ্ঞামূলক আদেশ প্রয়োজন। এই ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটল যখন তুরস্কের আসন্ন ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে দুই নেতার মুখোমুখি হওয়ার কথা রয়েছে।

বিরোধের সূত্রপাত মূলত গত সপ্তাহের জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনকে কেন্দ্র করে। ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে, মেলোনি বারবার তার সঙ্গে ছবি তোলার অনুরোধ জানিয়েছিলেন। তবে ইতালীয় প্রধানমন্ত্রী এই দাবিকে ‘পুরোপুরি ভিত্তিহীন ও মনগড়া’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, তিনি কোনো চাপের কাছে মাথা নত করবেন না এবং ইতালির স্বার্থ রক্ষায় সবসময় সোজাসাপ্টা কথা বলবেন।

এই উত্তেজনার প্রভাব পড়েছে কূটনৈতিক পর্যায়েও। ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তোনিও তাজানি তার পূর্বনির্ধারিত ওয়াশিংটন সফর বাতিল করেছেন বলে জানা গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপে ইতালির অসম্মতি এই তিক্ততাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের এই প্রকাশ্য বিরোধ আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।