ঢাকা ০৫:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

হরমুজ প্রণালিতে বিদেশি সামরিক উপস্থিতি নিয়ে ইরান ও পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে উত্তেজনা

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে মধ্যপ্রাচ্যের বাইরের কোনো শক্তির সামরিক উপস্থিতি মেনে নেওয়া হবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি সম্প্রতি এক বিবৃতিতে জানান, এই অঞ্চলের নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্ব কেবল উপকূলীয় দেশগুলোর। ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য এই প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যৌথ বাহিনী পাঠানোর ঘোষণা দেওয়ার পর তেহরানের পক্ষ থেকে এই প্রতিক্রিয়া এল।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে গারিবাবাদি উল্লেখ করেন, ইরান নিজেকে এই সমুদ্রপথের নিরাপত্তার প্রধান অংশীদার মনে করে এবং এখানে কোনো প্রকার উসকানিমূলক সামরিক তৎপরতা বরদাশত করা হবে না। তিনি সতর্ক করে বলেন, যারা এই অঞ্চলে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করবে, তাদের কঠোর পরিণতির সম্মুখীন হতে হবে।

অন্যদিকে, ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য দাবি করেছে যে বিশ্ব অর্থনীতির স্বার্থে হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ নৌচলাচল নিশ্চিত করা জরুরি। ওমান এই কাজে তাদের সহযোগিতা করতে সম্মত হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে। ইরানের এই অনড় অবস্থান এবং পশ্চিমা দেশগুলোর সামরিক তৎপরতা ওই অঞ্চলের ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভিসা ও আবাসন নীতিতে বড় পরিবর্তন আনল সংযুক্ত আরব আমিরাত

হরমুজ প্রণালিতে বিদেশি সামরিক উপস্থিতি নিয়ে ইরান ও পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে উত্তেজনা

আপডেট সময় : ০৩:২৪:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে মধ্যপ্রাচ্যের বাইরের কোনো শক্তির সামরিক উপস্থিতি মেনে নেওয়া হবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি সম্প্রতি এক বিবৃতিতে জানান, এই অঞ্চলের নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্ব কেবল উপকূলীয় দেশগুলোর। ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য এই প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যৌথ বাহিনী পাঠানোর ঘোষণা দেওয়ার পর তেহরানের পক্ষ থেকে এই প্রতিক্রিয়া এল।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে গারিবাবাদি উল্লেখ করেন, ইরান নিজেকে এই সমুদ্রপথের নিরাপত্তার প্রধান অংশীদার মনে করে এবং এখানে কোনো প্রকার উসকানিমূলক সামরিক তৎপরতা বরদাশত করা হবে না। তিনি সতর্ক করে বলেন, যারা এই অঞ্চলে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করবে, তাদের কঠোর পরিণতির সম্মুখীন হতে হবে।

অন্যদিকে, ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য দাবি করেছে যে বিশ্ব অর্থনীতির স্বার্থে হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ নৌচলাচল নিশ্চিত করা জরুরি। ওমান এই কাজে তাদের সহযোগিতা করতে সম্মত হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে। ইরানের এই অনড় অবস্থান এবং পশ্চিমা দেশগুলোর সামরিক তৎপরতা ওই অঞ্চলের ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।