হাওরাঞ্চলের প্রকৃত মৎস্যজীবীদের জীবন-জীবিকা সুরক্ষায় দেশের সকল উন্মুক্ত জলাশয়ে তাদের অবাধ মাছ আহরণের সুযোগ নিশ্চিত করবে সরকার। শুক্রবার নেত্রকোণা সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এই তথ্য জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার প্রকৃত মৎস্যজীবীদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ‘জাল যার, জলা তার’ এই নীতিকে সামনে রেখে উন্মুক্ত জলাশয়ে মৎস্যজীবীদের নির্বিঘ্নে জীবিকা নির্বাহের সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে, যা দেশের মৎস্যসম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনাকে আরও সুসংহত করবে।
ইজারা প্রথার কারণে সৃষ্ট সমস্যার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রভাবশালীরা যেভাবে হাওর বা জলাশয় দখল করে সাধারণ মানুষকে মাছ ধরতে বাধা দিত, সেই প্রতিবন্ধকতা দূর করা হবে। সরকার আইনগতভাবে এই ধরনের সকল বাধা দূর করার উদ্যোগ নিয়েছে, যাতে সাধারণ মানুষ ও মৎস্যজীবীরা নির্বিঘ্নে জলাশয়ে মৎস্য আহরণ করে জীবিকা নির্বাহ করতে পারে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে একসময় দেশে খাল খনন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় তার যোগ্য উত্তরসূরি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নদী-খাল খনন, জলাশয়ের নাব্যতা রক্ষা এবং সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ ও উদ্বোধন করেছেন। এরই অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বহু খাল ও নদী পুনঃখননের কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, নদীর নাব্যতা যাতে অক্ষুণ্ন থাকে, জলাবদ্ধতার কারণে মানুষ যাতে দুর্ভোগে না পড়ে এবং জলাশয়গুলোকে মৎস্য চাষের জন্য আরও উপযোগী করা যায়, সে লক্ষ্যে সরকার ইতোমধ্যেই বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
এসময় রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ এমপি, নেত্রকোণা-৪ (মদন-মোহনগঞ্জ-খালিয়াজুরী) আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 

























