সরকার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতায় বিশ্বাসী উল্লেখ করে প্রধান তথ্য কর্মকর্তা (সিআইও) সৈয়দ আবদাল আহমদ বলেছেন, বিগত ১৭ বছর দেশের গণমাধ্যম একটি কঠিন সময় পার করেছে। এখন সরকার তৃণমূল থেকে শুরু করে সব পর্যায়ের গণমাধ্যমের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করছে।
শুক্রবার (৩ জুলাই) কক্সবাজারে তথ্য অধিদপ্তর ও তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‘বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন ও উন্নয়ন ভাবনায় গণমাধ্যমকর্মীদের ভূমিকা’ শীর্ষক এই কর্মশালাটি শহরের একটি স্থানীয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।
সৈয়দ আবদাল আহমদ জোর দিয়ে বলেন, ‘স্বাধীন সাংবাদিকতার পথে এখন অপতথ্য ও গুজব একটি বড় বাধা। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হলে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার কোনো বিকল্প নেই। আমরা যদি সঠিক তথ্য পরিবেশন করতে পারি, তবে কোনো অপপ্রচারই সমাজে প্রভাব বিস্তার করতে পারবে না।’
কক্সবাজারের ভৌগোলিক ও কৌশলগত গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধান তথ্য কর্মকর্তা আরও বলেন, বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত, পর্যটন শিল্প, রোহিঙ্গা সমস্যা এবং ভূ-রাজনৈতিক কারণে কক্সবাজার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অঞ্চল। বিশেষ করে চীন ও মিয়ানমার হয়ে বাংলাদেশের যে সড়ক সংযোগের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, তা বাস্তবায়িত হলে এই জেলার গুরুত্ব আরও বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। তাই স্থানীয় সাংবাদিকদের পেশাগত সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য নিয়মিত প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য।
কর্মশালায় বিশেষ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-প্রধান তথ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম এবং হাছিনা আক্তার। ফখরুল ইসলাম গুজব ও অপপ্রচার রোধে সংবাদকর্মীদের করণীয় নিয়ে আলোচনা করেন, অন্যদিকে হাছিনা আক্তার সরকারের উন্নয়ন ভাবনা প্রসারে তথ্য অধিদপ্তরের ভূমিকা ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জের কথা তুলে ধরেন।
সিনিয়র তথ্য অফিসার মো. মনিরুজ্জামান খানের স্বাগত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এই কর্মশালায় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মমতাজ উদ্দিন বাহারী এবং সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজার-এর সভাপতি নুরুল ইসলাম হেলালী। উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে স্থানীয় সাংবাদিকতার বর্তমান অবস্থা ও নানা সংকটের কথা তুলে ধরেন এনটিভির ইকরাম চৌধুরী টিপু, দৈনিক ইনকিলাবের শামসুল হক শারেক, আমার দেশের আনছার হোসেন এবং এটিএন বাংলার মোয়াজ্জেম হোসেনসহ অন্যান্য সাংবাদিকরা।
রিপোর্টারের নাম 
























