ম্যাচের তখন অন্তিম মুহূর্ত। ১০৩তম মিনিটে জোস্কো গভার্দিওল যখন বল জালে জড়ালেন, তখন উল্লাসে মেতে উঠেছিল পুরো ক্রোয়েশিয়া শিবির। মনে হচ্ছিল হারতে বসা ম্যাচটি ড্র করে অতিরিক্ত সময়ে নিয়ে যাবে তারা। কিন্তু সেই আনন্দ স্থায়ী হলো মাত্র কয়েক মিনিট। আধুনিক প্রযুক্তির নিখুঁত বিশ্লেষণে বাতিল হয়ে গেল সেই নাটকীয় গোল।
২০২৬ বিশ্বকাপের নতুন বল ‘অ্যাডিডাস ট্রিওন্ডা’তে ব্যবহৃত হয়েছে সেন্সরভিত্তিক কানেক্টেড বল প্রযুক্তি। এই প্রযুক্তির অংশ স্নিকোমিটার নিশ্চিত করেছে যে, বলটিতে শেষ স্পর্শ কার ছিল। ভিএআর পর্যালোচনায় দেখা যায়, গোল হওয়ার ঠিক আগে অফসাইড পজিশনে থাকা খেলোয়াড় বল স্পর্শ করেছিলেন। ফলে মাঠের রেফারির দেওয়া গোলের সিদ্ধান্ত বাতিল করতে বাধ্য হন ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি।
ফিফার অফসাইড আইন অনুযায়ী, কোনো খেলোয়াড় যদি অফসাইড অবস্থানে থেকে সতীর্থের দেওয়া পাস গ্রহণ করেন বা খেলায় প্রভাব ফেলেন, তবে তা অফসাইড হিসেবে গণ্য হবে। এই সূক্ষ্ম সিদ্ধান্তের সুবাদেই ১-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পর্তুগাল। এই জয়ের মাধ্যমে তারা টুর্নামেন্টের নকআউট পর্ব বা শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে।
রিপোর্টারের নাম 























