ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দাফন অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে তেহরানে শুরু হচ্ছে ছয় দিনব্যাপী রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতা। হত্যাকাণ্ডের চার মাস পর আয়োজিত এই অনুষ্ঠানকে ইরানি কর্মকর্তারা ‘শতাব্দীর সেরা দাফন’ হিসেবে অভিহিত করছেন। কর্তৃপক্ষের ধারণা, এই শোক মিছিলে ১ কোটি ২০ লাখ থেকে প্রায় ২ কোটি মানুষের সমাগম হতে পারে, যা দেশটির ইতিহাসে এক নজিরবিহীন ঘটনা।
বিশাল এই জনসমাগম সামাল দিতে তেহরান জুড়ে কঠোর নিরাপত্তা ও বিশেষ যাতায়াত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোরের (আইআরজিসি) তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এই আয়োজনে অংশ নিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, মন্ত্রী ও উচ্চপদস্থ প্রতিনিধিরা তেহরানে আসছেন। বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদও এই জানাজায় যোগ দিতে বর্তমানে ইরানে অবস্থান করছেন।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, তেহরানের ইমাম খোমেনি মোসাল্লায় সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে খামেনির কফিন কোম শহরের জামকারান মসজিদে নেওয়া হবে। এরপর ধর্মীয় রীতি পালনের জন্য কফিনটি ইরাকের নাজাফ ও কারবালায় নেওয়া হবে। সবশেষে পুনরায় ইরানে ফিরিয়ে এনে দাফন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। এই আয়োজনের মাধ্যমে শিয়া বিশ্বে খামেনির প্রভাব ও ধর্মীয় সংহতি ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করছে ইরান সরকার।
রিপোর্টারের নাম 























