ঢাকা ১২:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬

মিথ্যা মামলা ও হাতকড়া পরানোর প্রতিবাদে হোমনার সাংবাদিকের সংবাদ সম্মেলন

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২২:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মিথ্যা মামলা ও পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে হয়রানির শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলেছেন কুমিল্লার হোমনা উপজেলার সাংবাদিক দিদার আহম্মেদ। তিনি ‘আমার দেশ’ পত্রিকার হোমনা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত আছেন। হয়রানিমূলক মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হলে গত ২৩ জুন পুলিশ তাকে হাতকড়া পরিয়ে থানায় নিয়ে যায় এবং পরে আদালতে পাঠায়। এই ঘটনায় একজন সাংবাদিক হিসেবে তার মানহানি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। ভুক্তভোগী এই সাংবাদিক নিজেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ দাবি করে প্রশাসনের কাছে একটি সঠিক ও নিরপেক্ষ তদন্তের জোর দাবি জানিয়েছেন। বুধবার বিকেলে হোমনা পৌর সুপার মার্কেটে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সাংবাদিক দিদার আহম্মেদ জানান, গত বছরের অক্টোবর মাসে বড় ঘাগুটিয়া গ্রামের এক প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে অনৈতিক কাজে লিপ্ত হওয়ার অভিযোগে স্থানীয় জনতা আবু বকর সিদ্দিককে আটক করে। ঘটনাটি পরবর্তীতে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়। এই ঘটনা প্রচার হওয়ার বিষয়ে তাকে দোষারোপ করে হুমকি দেওয়া হয়। এতে তিনি ২৩ অক্টোবর তারিখে হোমনা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক দাবি করেন, ঘটনার দিন তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না। ঘটনাটি তিনি কেবল ফেসবুক ও ইন্টারনেটের মাধ্যমেই জানতে পারেন। কিন্তু আবু বকর ওই ঘটনার অপপ্রচারের মিথ্যা অভিযোগে গত ২৫ নভেম্বর তারিখে আদালতে তার (দিদার) বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন।

ভুক্তভোগী আরও জানান, সাধারণ ডায়েরি করাকে কেন্দ্র করেই গত ২৪ অক্টোবর তারিখে একটি চক্র বাতাকান্দি বাজার সিএনজি স্ট্যান্ড থেকে চেতনানাশক প্রয়োগ করে তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে তার নিখোঁজ হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে প্রশাসন তৎপর হয়ে মিরেরসরাই উপজেলার বিএসআরএম রড ফ্যাক্টরির নিকট থেকে তাকে উদ্ধার করে।

পরবর্তীতে এই ঘটনায় আবু বকরের সঙ্গে আপস-মীমাংসার আশ্বাস পাওয়ায় তিনি মামলা দায়ের করেননি। কিন্তু পরবর্তীতে আবু বকর আদালতে দায়ের করা তার ওই মামলাটি প্রত্যাহার না করায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৩ জুন তারিখে পুলিশ তাকে হাতকড়া পরিয়ে গ্রেপ্তার করে আদালতে চালান করে।

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, হয়রানিমূলক মামলা এবং তাকে হাতকড়া পরিয়ে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যাওয়ায় তিনি সামাজিক ও মানসিকভাবে চরম হেনস্তার শিকার হয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুনে নারী-শিশু নির্যাতনের শিকার ৩৩৩ জন

মিথ্যা মামলা ও হাতকড়া পরানোর প্রতিবাদে হোমনার সাংবাদিকের সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় : ১০:২২:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মিথ্যা মামলা ও পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে হয়রানির শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলেছেন কুমিল্লার হোমনা উপজেলার সাংবাদিক দিদার আহম্মেদ। তিনি ‘আমার দেশ’ পত্রিকার হোমনা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত আছেন। হয়রানিমূলক মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হলে গত ২৩ জুন পুলিশ তাকে হাতকড়া পরিয়ে থানায় নিয়ে যায় এবং পরে আদালতে পাঠায়। এই ঘটনায় একজন সাংবাদিক হিসেবে তার মানহানি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। ভুক্তভোগী এই সাংবাদিক নিজেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ দাবি করে প্রশাসনের কাছে একটি সঠিক ও নিরপেক্ষ তদন্তের জোর দাবি জানিয়েছেন। বুধবার বিকেলে হোমনা পৌর সুপার মার্কেটে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সাংবাদিক দিদার আহম্মেদ জানান, গত বছরের অক্টোবর মাসে বড় ঘাগুটিয়া গ্রামের এক প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে অনৈতিক কাজে লিপ্ত হওয়ার অভিযোগে স্থানীয় জনতা আবু বকর সিদ্দিককে আটক করে। ঘটনাটি পরবর্তীতে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়। এই ঘটনা প্রচার হওয়ার বিষয়ে তাকে দোষারোপ করে হুমকি দেওয়া হয়। এতে তিনি ২৩ অক্টোবর তারিখে হোমনা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক দাবি করেন, ঘটনার দিন তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না। ঘটনাটি তিনি কেবল ফেসবুক ও ইন্টারনেটের মাধ্যমেই জানতে পারেন। কিন্তু আবু বকর ওই ঘটনার অপপ্রচারের মিথ্যা অভিযোগে গত ২৫ নভেম্বর তারিখে আদালতে তার (দিদার) বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন।

ভুক্তভোগী আরও জানান, সাধারণ ডায়েরি করাকে কেন্দ্র করেই গত ২৪ অক্টোবর তারিখে একটি চক্র বাতাকান্দি বাজার সিএনজি স্ট্যান্ড থেকে চেতনানাশক প্রয়োগ করে তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে তার নিখোঁজ হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে প্রশাসন তৎপর হয়ে মিরেরসরাই উপজেলার বিএসআরএম রড ফ্যাক্টরির নিকট থেকে তাকে উদ্ধার করে।

পরবর্তীতে এই ঘটনায় আবু বকরের সঙ্গে আপস-মীমাংসার আশ্বাস পাওয়ায় তিনি মামলা দায়ের করেননি। কিন্তু পরবর্তীতে আবু বকর আদালতে দায়ের করা তার ওই মামলাটি প্রত্যাহার না করায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৩ জুন তারিখে পুলিশ তাকে হাতকড়া পরিয়ে গ্রেপ্তার করে আদালতে চালান করে।

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, হয়রানিমূলক মামলা এবং তাকে হাতকড়া পরিয়ে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যাওয়ায় তিনি সামাজিক ও মানসিকভাবে চরম হেনস্তার শিকার হয়েছেন।