চলমান বিশ্বকাপে আক্রমণভাগের স্ট্রাইকারদের ছাপিয়ে বারবার আলোচনায় উঠে আসছেন গোলপোস্টের নিচে অতন্দ্র প্রহরীর মতো দাঁড়িয়ে থাকা গোলরক্ষকরা। টাইব্রেকারের স্নায়ুযুদ্ধ হোক কিংবা নির্ধারিত সময়ের অবিশ্বাস্য সেভ—সবখানেই দাপট দেখাচ্ছেন তারা। সম্প্রতি জার্মানির মতো শক্তিশালী দলকে টাইব্রেকারে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছে প্যারাগুয়ে। আর এই জয়ের মূল কারিগর ছিলেন তরুণ গোলরক্ষক ওরলান্ডো গিল, যার দুর্দান্ত সেভ জার্মানিকে আসর থেকে বিদায় করে দেয়।
কেবল গিল নয়, এবারের বিশ্বকাপে ছোট দলগুলোর বড় তারকা হয়ে উঠেছেন তাদের গোলরক্ষকরা। কেপ ভার্দের ৪০ বছর বয়সী অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ভোজিনহা স্পেনের বিপক্ষে ৭টি অবিশ্বাস্য সেভ করে ক্লিনশিট বজায় রেখে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। একইভাবে ইরানের আলিরেজা বেইরানভান্দ বেলজিয়ামের বিপক্ষে ৭টি সেভ করে দলকে মূল্যবান পয়েন্ট এনে দিয়ে ‘দ্য ওয়াল’ উপাধির সার্থকতা প্রমাণ করেছেন। ইরানের বিদায় সত্ত্বেও তার লড়াকু পারফরম্যান্স টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা অধ্যায় হয়ে থাকবে।
তবে ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে সবাইকে ছাড়িয়ে গেছেন কুরাসাওয়ের গোলরক্ষক এলয় রুম। ইকুয়েডরের বিপক্ষে এক ম্যাচেই তিনি ১৫টি সেভ করেছেন, যা বিশ্বকাপের ইতিহাসে এক ম্যাচে সর্বোচ্চ সেভের রেকর্ডের সমান। প্রতিটি সেভই ছিল একেকটি গোলের সমান মূল্যবান। ফুটবল বিশেষজ্ঞদের মতে, এবারের বিশ্বকাপ যেন গোলরক্ষকদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের এক মঞ্চে পরিণত হয়েছে, যেখানে প্রতিপক্ষের আক্রমণ যত তীব্র হয়েছে, গোলরক্ষকরা ততটাই দৃঢ় হয়ে উঠেছেন।
রিপোর্টারের নাম 

























