ঢাকা ০৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬

ইসরায়েলের সাথে কৌশলগত সহযোগিতা চুক্তিতে সোমালিল্যান্ডের মন্ত্রিসভার সায়

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:১১:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

ইসরায়েলের সাথে একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় কৌশলগত সহযোগিতা চুক্তি অনুমোদন করেছে সোমালিল্যান্ডের মন্ত্রিসভা। সম্প্রতি দেশটির প্রেসিডেন্ট আব্দিরাহমান মোহামেদ আব্দুল্লাহির ইসরায়েল সফরের ধারাবাহিকতায় এই চুক্তিটি এখন প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করল। মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে এটি সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়।

এই চুক্তির আওতায় নিরাপত্তা, প্রযুক্তি বিনিময়, বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের মতো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে দেশ দুটি একে অপরের সাথে কাজ করবে। উল্লেখ্য, ১৯৯১ সালে সোমালিয়া থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীনতা ঘোষণা করা সোমালিল্যান্ডকে গত বছর প্রথম দেশ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়েছিল ইসরায়েল।

ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, লোহিত সাগরের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত এডেন উপসাগরে নিজেদের সামরিক ও কৌশলগত অবস্থান সুসংহত করাই ইসরায়েলের মূল লক্ষ্য। এই অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার মাধ্যমে ইরান এবং হুতি বিদ্রোহীদের প্রভাব মোকাবিলা করতে সোমালিল্যান্ডের সাথে এই অংশীদারিত্ব তেল আবিবের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বৈশ্বিক হালাল বাজার দখলে বাংলাদেশের উচ্চাকাঙ্ক্ষা: মালয়েশিয়ার মডেল অনুসরণের প্রচেষ্টা

ইসরায়েলের সাথে কৌশলগত সহযোগিতা চুক্তিতে সোমালিল্যান্ডের মন্ত্রিসভার সায়

আপডেট সময় : ০৮:১১:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

ইসরায়েলের সাথে একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় কৌশলগত সহযোগিতা চুক্তি অনুমোদন করেছে সোমালিল্যান্ডের মন্ত্রিসভা। সম্প্রতি দেশটির প্রেসিডেন্ট আব্দিরাহমান মোহামেদ আব্দুল্লাহির ইসরায়েল সফরের ধারাবাহিকতায় এই চুক্তিটি এখন প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করল। মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে এটি সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়।

এই চুক্তির আওতায় নিরাপত্তা, প্রযুক্তি বিনিময়, বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের মতো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে দেশ দুটি একে অপরের সাথে কাজ করবে। উল্লেখ্য, ১৯৯১ সালে সোমালিয়া থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীনতা ঘোষণা করা সোমালিল্যান্ডকে গত বছর প্রথম দেশ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়েছিল ইসরায়েল।

ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, লোহিত সাগরের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত এডেন উপসাগরে নিজেদের সামরিক ও কৌশলগত অবস্থান সুসংহত করাই ইসরায়েলের মূল লক্ষ্য। এই অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার মাধ্যমে ইরান এবং হুতি বিদ্রোহীদের প্রভাব মোকাবিলা করতে সোমালিল্যান্ডের সাথে এই অংশীদারিত্ব তেল আবিবের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।