বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির ঘোষণা দিয়েছেন যে, পূর্বাচল নতুন উপশহরকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) আওতাভুক্ত করা হবে। এর মাধ্যমে এই দ্রুত বর্ধনশীল এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি জোরদার করা সম্ভব হবে।
আইজিপি জানান, পূর্বাচলের জন্য সুদূরপ্রসারী পুলিশি অবকাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনা চলছে। এর আওতায় ৪টি নতুন থানা, ৬টি তদন্ত কেন্দ্র, ২টি পুলিশ লাইনস, ৩টি ডিসি অফিস এবং ৪১টি পুলিশ বক্স স্থাপন করা হবে। এসব স্থাপনা নির্মাণের কাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, পূর্বাচলে আইনশৃঙ্খলা জোরদারের লক্ষ্যে ডিএমপির অনুকূলে ২৯ দশমিক ২১ একর জমি বরাদ্দ করা হয়েছে, যার মধ্যে ১৮ দশমিক ৬৩ একরের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হয়েছে। ভবিষ্যতে পূর্বাচলকে ডিএমপির একটি পৃথক বিভাগের অধীনে আনা হবে, যা একজন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনারের নেতৃত্বে পরিচালিত হবে। এই বিভাগে প্রায় ৬ হাজার ৫২৪ জন জনবল নিয়োগের পরিকল্পনাও রয়েছে।
মহাপরিদর্শক আলী হোসেন ফকির আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, পূর্বাচলে পরিকল্পিত পুলিশি ব্যবস্থা গড়ে উঠলে অপরাধ দমন, নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং দ্রুত পুলিশি সেবা প্রদানে সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। এটি নতুন শহরের টেকসই নগরায়ণ ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। বুধবার পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের ১ নম্বর সেক্টরের ১০২ নং সড়কের ৪৪ নং প্লটে ‘বরকাউ পুলিশ ক্যাম্প’ উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
আইজিপি আরও জানান, আগামী দুই মাসের মধ্যে নবনির্মিত এই পুলিশ ক্যাম্পের কার্যক্রম চালু করা হবে। এর ফলে রাজধানী ঢাকার পুলিশি সেবার পরিধি পূর্বাচল পর্যন্ত সম্প্রসারিত হবে এবং সরকারের পরিকল্পিত নগরায়ণ বাস্তবায়নে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এসময় ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন ও স্থানীয় কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 




















