ঢাকা ০৩:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬

গোহত্যা নিষিদ্ধের নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে ভারতের সুপ্রিম কোর্টে তামিলনাড়ু সরকার

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০২:০২:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

মাদ্রাজ হাইকোর্টের দেওয়া গোহত্যা নিষিদ্ধের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ভারতের সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছে তামিলনাড়ু সরকার। এর আগে গত মে মাসে দুধ উৎপাদন বৃদ্ধি এবং গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নের যুক্তিতে রাজ্যজুড়ে গরু ও বাছুর জবাইয়ের ওপর পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারির নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট।

কোয়েম্বাটুরের এক বাসিন্দার দায়ের করা জনস্বার্থ মামলার প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট পর্যবেক্ষণ দিয়েছিল যে, গোহত্যা কোনো বাধ্যতামূলক ধর্মীয় রীতি নয়। সংবিধানের ৪৮ নম্বর অনুচ্ছেদের দোহাই দিয়ে আদালত দ্রুত এই নির্দেশ কার্যকর করার জন্য রাজ্যের মুখ্য সচিব ও পুলিশ প্রশাসনকে নির্দেশ দেয়।

তবে তামিলনাড়ু সরকার তাদের পিটিশনে দাবি করেছে, হাইকোর্টের এই নির্দেশ স্ববিরোধী। রাজ্য সরকারের মতে, ১৯৫৮ সালের প্রাণী সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট বয়সের বা অকেজো গবাদি পশু জবাইয়ের অনুমতি ছিল। আদালতের নতুন এই রায় সেই আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

রাজ্য সরকার আরও যুক্তি দিয়েছে যে, মূল মামলাকারী পুরো রাজ্যে গোহত্যা নিষিদ্ধের দাবি না জানালেও আদালত নিজ এখতিয়ারের বাইরে গিয়ে এই আদেশ দিয়েছেন। সুপ্রিম কোর্টে দাখিল করা আবেদনে এই আইনি জটিলতা নিরসনের দাবি জানানো হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা প্রসারে ছাত্রশিবিরের ৩৬ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা

গোহত্যা নিষিদ্ধের নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে ভারতের সুপ্রিম কোর্টে তামিলনাড়ু সরকার

আপডেট সময় : ০২:০২:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

মাদ্রাজ হাইকোর্টের দেওয়া গোহত্যা নিষিদ্ধের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ভারতের সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছে তামিলনাড়ু সরকার। এর আগে গত মে মাসে দুধ উৎপাদন বৃদ্ধি এবং গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নের যুক্তিতে রাজ্যজুড়ে গরু ও বাছুর জবাইয়ের ওপর পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারির নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট।

কোয়েম্বাটুরের এক বাসিন্দার দায়ের করা জনস্বার্থ মামলার প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট পর্যবেক্ষণ দিয়েছিল যে, গোহত্যা কোনো বাধ্যতামূলক ধর্মীয় রীতি নয়। সংবিধানের ৪৮ নম্বর অনুচ্ছেদের দোহাই দিয়ে আদালত দ্রুত এই নির্দেশ কার্যকর করার জন্য রাজ্যের মুখ্য সচিব ও পুলিশ প্রশাসনকে নির্দেশ দেয়।

তবে তামিলনাড়ু সরকার তাদের পিটিশনে দাবি করেছে, হাইকোর্টের এই নির্দেশ স্ববিরোধী। রাজ্য সরকারের মতে, ১৯৫৮ সালের প্রাণী সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট বয়সের বা অকেজো গবাদি পশু জবাইয়ের অনুমতি ছিল। আদালতের নতুন এই রায় সেই আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

রাজ্য সরকার আরও যুক্তি দিয়েছে যে, মূল মামলাকারী পুরো রাজ্যে গোহত্যা নিষিদ্ধের দাবি না জানালেও আদালত নিজ এখতিয়ারের বাইরে গিয়ে এই আদেশ দিয়েছেন। সুপ্রিম কোর্টে দাখিল করা আবেদনে এই আইনি জটিলতা নিরসনের দাবি জানানো হয়েছে।