ঢাকা ১০:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬

বৈশ্বিক হালাল বাজার দখলে বাংলাদেশের উচ্চাকাঙ্ক্ষা: মালয়েশিয়ার মডেল অনুসরণের প্রচেষ্টা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:১৬:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

বিশ্বব্যাপী প্রায় তিন ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের বিশাল বাজার রয়েছে। এই বিপুল সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে বাংলাদেশ এখন হালাল শিল্পের উন্নয়নে বিশেষভাবে মনোনিবেশ করেছে। মালয়েশিয়ার সফল মডেল অনুসরণ করে বাংলাদেশও এই খাতে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করতে আগ্রহী। সম্প্রতি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফরকালে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে হালাল শিল্পে অংশীদারিত্বের বিষয়টি গুরুত্বসহকারে আলোচিত হয়েছে। এর আগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের মালয়েশিয়া সফরেও এই খাতটি নিয়ে আলোচনা হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, হালাল শিল্প কেবল ধর্মীয় আচারের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এটি একটি সমন্বিত বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার অংশ। এই ব্যবস্থার আওতায় হালাল পণ্য ও সেবার উৎপাদন, উন্নয়ন, সরবরাহ এবং বিতরণ পর্যন্ত প্রতিটি স্তর একে অপরের সঙ্গে যুক্ত। এর মধ্যে ব্যাংকিং, পর্যটন, হোটেল, লজিস্টিকস, কসমেটিকস এবং ফার্মাসিউটিক্যালসসহ মোট নয়টি প্রধান খাত অন্তর্ভুক্ত। কাঁচামাল সংগ্রহ থেকে শুরু করে উৎপাদন, প্যাকেজিং, পরিবহন এবং ভোক্তার কাছে পৌঁছানো পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে শতভাগ হালাল পদ্ধতি নিশ্চিত করাই এই শিল্পের মূল ভিত্তি।

মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ হিসেবে বাংলাদেশে হালাল পণ্যের একটি বড় অভ্যন্তরীণ বাজার রয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক মানের পরীক্ষাগার এবং একটি একক সনদের অভাব বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে বৈশ্বিক বাজারে নিজেদের একটি শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করার লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশ সরকার কাজ করছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাবেক আইজিপি বেনজীরকে দেশে ফেরানো নিয়ে অনিশ্চয়তা: দুবাই পুলিশের সাড়া নেই

বৈশ্বিক হালাল বাজার দখলে বাংলাদেশের উচ্চাকাঙ্ক্ষা: মালয়েশিয়ার মডেল অনুসরণের প্রচেষ্টা

আপডেট সময় : ০৯:১৬:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

বিশ্বব্যাপী প্রায় তিন ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের বিশাল বাজার রয়েছে। এই বিপুল সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে বাংলাদেশ এখন হালাল শিল্পের উন্নয়নে বিশেষভাবে মনোনিবেশ করেছে। মালয়েশিয়ার সফল মডেল অনুসরণ করে বাংলাদেশও এই খাতে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করতে আগ্রহী। সম্প্রতি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফরকালে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে হালাল শিল্পে অংশীদারিত্বের বিষয়টি গুরুত্বসহকারে আলোচিত হয়েছে। এর আগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের মালয়েশিয়া সফরেও এই খাতটি নিয়ে আলোচনা হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, হালাল শিল্প কেবল ধর্মীয় আচারের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এটি একটি সমন্বিত বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার অংশ। এই ব্যবস্থার আওতায় হালাল পণ্য ও সেবার উৎপাদন, উন্নয়ন, সরবরাহ এবং বিতরণ পর্যন্ত প্রতিটি স্তর একে অপরের সঙ্গে যুক্ত। এর মধ্যে ব্যাংকিং, পর্যটন, হোটেল, লজিস্টিকস, কসমেটিকস এবং ফার্মাসিউটিক্যালসসহ মোট নয়টি প্রধান খাত অন্তর্ভুক্ত। কাঁচামাল সংগ্রহ থেকে শুরু করে উৎপাদন, প্যাকেজিং, পরিবহন এবং ভোক্তার কাছে পৌঁছানো পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে শতভাগ হালাল পদ্ধতি নিশ্চিত করাই এই শিল্পের মূল ভিত্তি।

মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ হিসেবে বাংলাদেশে হালাল পণ্যের একটি বড় অভ্যন্তরীণ বাজার রয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক মানের পরীক্ষাগার এবং একটি একক সনদের অভাব বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে বৈশ্বিক বাজারে নিজেদের একটি শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করার লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশ সরকার কাজ করছে।