ঢাকা ০৬:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

গাইবান্ধায় মাদকাসক্ত নাতির ছুরিকাঘাতে দাদি নিহত, আহত দাদা হাসপাতালে

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় মাদকাসক্ত নাতির ছুরিকাঘাতে দাদি নিহত এবং দাদা গুরুতর আহত হয়েছেন। বুধবার দুপুরে উপজেলার খামার পবন তাইড় গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত ফেরেজা বেগম (৬৫) ওই গ্রামের আব্দুল করিমের স্ত্রী। ঘটনার পর অভিযুক্ত নাতি শাকিলকে (১৯) আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শাকিল দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। মাদক সেবন ও পারিবারিক কলহের জেরে তার স্ত্রী বাবার বাড়িতে চলে যান। ঘটনার দিন দুপুরে স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনার বিষয় নিয়ে দাদা-দাদির সঙ্গে শাকিলের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে শাকিল ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার দাদা ও দাদিকে এলোপাতাড়ি আঘাত করেন। তাদের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে শাকিলকে আটক করে এবং পুলিশে খবর দেয়।

আহত দম্পতিকে উদ্ধার করে প্রথমে সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পথেই ফেরেজা বেগমের মৃত্যু হয়। আহত আব্দুল করিম বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সাঘাটা থানা পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং লাশের ময়নাতদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গণরায় বাস্তবায়ন ও জনদুর্ভোগ লাঘবে সিলেটে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশ ২৫ জুলাই

গাইবান্ধায় মাদকাসক্ত নাতির ছুরিকাঘাতে দাদি নিহত, আহত দাদা হাসপাতালে

আপডেট সময় : ০৫:১৩:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় মাদকাসক্ত নাতির ছুরিকাঘাতে দাদি নিহত এবং দাদা গুরুতর আহত হয়েছেন। বুধবার দুপুরে উপজেলার খামার পবন তাইড় গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত ফেরেজা বেগম (৬৫) ওই গ্রামের আব্দুল করিমের স্ত্রী। ঘটনার পর অভিযুক্ত নাতি শাকিলকে (১৯) আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শাকিল দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। মাদক সেবন ও পারিবারিক কলহের জেরে তার স্ত্রী বাবার বাড়িতে চলে যান। ঘটনার দিন দুপুরে স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনার বিষয় নিয়ে দাদা-দাদির সঙ্গে শাকিলের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে শাকিল ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার দাদা ও দাদিকে এলোপাতাড়ি আঘাত করেন। তাদের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে শাকিলকে আটক করে এবং পুলিশে খবর দেয়।

আহত দম্পতিকে উদ্ধার করে প্রথমে সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পথেই ফেরেজা বেগমের মৃত্যু হয়। আহত আব্দুল করিম বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সাঘাটা থানা পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং লাশের ময়নাতদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।